রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পুকুরের পানি শুকিয়ে যাওয়ায় তিব্র পানি সংকট দেখা দিয়েছে । দির্ঘদিন ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় পুকুর জলাশয় গুলো শুকিয়ে গেছে এতে পানির অভাবে চরম দূর ভোগে পড়েছে পাহাড়ি এলাকার লোকজন উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের মধ্য বেতাগী চম্পাতলী এলাকার বেশ কয়েকটি পুকুরের পানি একেবারেই নেই যার ফলে এখানকার বসবাস কারী হাজারো মানুষ তিব্র পানি সংকটে রয়েছে ।
এছাড়াও এখানকার বহু টিউবয়েলে পানি কম উঠায় খাবার পানির ও সংকট দেখা দিয়েছে । চম্পাতলী এলাকার বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ জানান বতর্মানে বেশ কিছু নলকূপের পানি কমে গেছে পুকুরে পানি নেই চম্পাতলী রাহাত আলী শাহ জামে মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে পানি সংকটে অজু করতে পারছেন না লোকজন । অপরদিকে কর্ণফুলি সংলগ্ন খালগুলোতে পানি কমেছে যায় ফলে উজান থেকে পানি না আসায় কর্ণফুলি নদীতে লবনাক্ত পানি ডুকে পড়েছে ।
এতে খেত খামারে পানি দেওয়া যাচ্ছে না। খেখাযায় বিভিন্ন এলাকায় সেচ সংকটের কারণে বহু জমি অনাবাদি রয়েগেছে। এখানকার কৃষক আশরাফুল বলেন যেহারে বৃষ্টি কমে গেছে এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামী মাসে বোরো ধান ফেলা সম্ভব হবেনা এতে তাদের বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখে পড়তে হবে ।
বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন সাইফু সওদাগর জানান বহু বছর ধরে পানি সংকটে আছেন খাবার পানির জন্য একেক দিন একেক জনের কাছে ধর্ণা দিতে হয়। আসে পাশে অনেকেই সরকারি নলকূপ পেলেও গত ছয় মাস হয় উপজেলা প্রশাসনের কাছে একটি নলকূপের জন্য আবেদন করলেও একটি নলকূপ পাইনি অতছ বাড়ির পার্শ ইউনিয়ন পরিষদে একটি গভীর নলকূপ থাকার পর আরও একটি নলকূপ ইতিমধ্যে বসানো হয়েছে ।
এখানকার গুচ্ছগ্রাম এর বাসিন্দা বাচা মিয়া বলেন সরকারি ঘর পেয়ে তিনি এখানে বসবাস করছেন তাদের ঘরের সামনে বিশাল পুকুরের পানি বহু বছর ধরে ব্যবহার করে আসছে এবছর সেই পুকুরে একটু পানি নেই ফলে এখানকার বসবাস কারীরা চরম বিপাকে পড়েছে । এখন তাদের নলকূপই একমাত্র ভরসা। এতেও যে কোন সময় পানির সমস্যা দেখা দিতে পারে সেজন্য বিকল্প পানির ব্যবস্থার গ্রহনে চেয়ারম্যান সহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষে সহযোগিতা কামনা করেন ।

Enter
Write to M Jahangir Newaz
