আগের দুই ম্যাচে কিউইদের একপ্রকার উড়িয়ে দেওয়া পাকিস্তানের সামনে সিরিজ নিশ্চিত করতে লক্ষ্য ছিলো ১৬৪ রানের।পাক ব্যাটারদের বর্তমান ফর্ম বিবেচনায় লক্ষ্য খুব একটা বড় মনে হয়নি।কিন্তু এই লক্ষ্য ছুঁতে গিয়ে দলীয় ৮৮ রানে শীর্ষ সাত ব্যাটার আউট হয়ে গেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে বড় জয় পেতে চলেছে নিউজিল্যান্ড বলেই মনে হচ্ছিল।কিন্তু তখনই শুরু হলো ইফতিখার শো।আট নম্বরে ব্যাট করতে নেমে নয়ে নামা ফাহিম আশরাফকে নিয়ে রীতিমতো তান্ডবলীলা চালালেন কিউই বোলারদের উপর।
২৬ বলে ৬১ রানের জুটিতে ম্যাচের রং বদলে তখন পাকিস্তানের জয়কে সম্ভাব্য ফল মনে হচ্ছিল।তা হয়েও যেতো যদি আর দুয়েকটা বল খেলে আউট হতেন ইফতিখার।নবম উইকেট হিসেবে যখন প্যাভিলিয়নে ফিরে যান,তাঁর নামের পাশে ২৪ বলে ৬০ রানের ক্যারিয়ার সেরা ফিগার শো করছিলো।যে ইনিংসে ছিলো তিনটি চার আর ছয়টি ছক্কা।তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দেওয়া ফাহিম আশরাফও ১৪ বলে ২৭ রানের ক্যামিও উপহার দেন।কিন্তু তবুও শেষ রক্ষা হয়নি।
বিশতম ওভারের শেষ বলে শেষ উইকেট হারানো পাকিস্তান জয় থেকে তখন ৫ রান দূরে।শেষ পর্যন্ত ৪ রানে জিতে পাঁচ ম্যাচ টি টোয়েন্টি সিরিজে টিকে রইলো নিউজিল্যান্ড। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে অধিনায়ক টম ল্যাথামের ৬৪ ও ড্যারিল মিচেলের ৩৩ রানের ইনিংসে ভর করে পাঁচ উইকেটে ১৬৩ রান সংগ্রহ করে নিউজিল্যান্ড।
পাক বোলারদের মধ্যে এদিনও হারিস রউফ তাঁর ভালো বোলিংয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ৩১ রানে ২ উইকেট নেন।প্রথম দুই ম্যাচ জেতা পাকিস্তান এই ম্যাচে পরাজয় শেষে সিরিজে ২-১ব্যবধানে এগিয়ে রইলো। সংক্ষিপ্ত স্কোর:-নিউজিল্যান্ড ১৬৩/৫(২০),টম ল্যাথাম ৬৪,ড্যারিল মিচেল ৩৩।হারিস রউফ ২/৩১,শাহিনশাহ আফ্রিদী ২/৩৩। পাকিস্তান ১৫৯/১০,ইফতিখার আহমেদ ৬০,ফাহিম আশরাফ ২৭,জিমি নিশাম ৩/৩৮,এডাম মিলনে ২/৩৭,রবীন্দ্র ২/২৮। ফলাফল:-নিউজিল্যান্ড ৪ রানে জয়ী। ম্যান অফ দ্য ম্যাচ:-টম ল্যাথাম।

