অপরূপ সৌন্দর্য্যে ভরপুর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলাধীন গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত বদলে যাচ্ছে। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জনপ্রিয় এই সমুদ্র সৈকতকে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে সাজানো হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে এটির উন্নয়ন প্রকল্পের নকশা অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
নকশা অনুযায়ী এই সাগর পাড়ে নির্মাণ করা হবে সুদৃশ্য ওয়াকওয়ে, দৃষ্টিনন্দন সেতু এবং একটি উন্নতমানের রিসোর্ট, একটি রেস্তোরাঁ যা বাস্তবায়নে অতিদ্রুত কাজ শুরু করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। বাহারী রঙের বৃক্ষ আর আর সবুজের সমারোহ পরিবেশকে সৌন্দর্য মন্ডিত করেছে।বিশাল আয়তনের এই পর্যটন স্থান দেখতে দূর দূরান্তর থেকে অধীর আগ্রহে পর্যটকরা ঘুরতে আসেন। একদিকে দিগন্তজোড়া জলরাশি আর অন্যদিকে কেওড়া বন। আছে সবুজগালিচার বিস্তৃত ঘাস। তার মাঝে বয়ে চলেছে আঁকাবাঁকা নালা। গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতকে পর্যটনের আওতায় আনতে নেয়া হচ্ছে মহাপরিকল্পনা।
রাস্তার উন্নয়ন, হোটেল-মোটেল, রির্সোট গড়ে তুলতে ভূমি জরিপের মাধ্যমে দেয়া হয়ে প্রস্তাবনা। এবার অনুমোদন হয়েছে নক্সা। গতবছর সরকার এই সমুদ্র সৈকতকে স্বীকৃতি দিয়ে পর্যটন স্পট ঘোষণা করে। এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সীতাকুণ্ডকে আহ্বায়ক করে গঠন করা হয় গুলিয়াখালী বিচ ব্যবস্থাপনা কমিটিও। সেই থেকে ধীরে ধীরে উন্নয়নের ছোঁয়া পেতে থাকে এই পর্যটন স্পটটি। সবশেষে এটিকে ঢেলে সাজানোর দিকে নজর দেয়া হয়েছে।
গুলিয়াখালী বিচ ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়ক সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আশরাফুল আলম বলেন, এটি পর্যটন ঘোষণার আগে থেকেই বিভিন্ন সময়ে এর অবস্থা খতিয়ে দেখতে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব আহমেদ কায়কাউসসহ সরকারের বিভিন্ন প্রতিনিধি দল।সংশ্নিষ্টদের মতে, সরকারি উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতায় গুলিয়াখালী বিচ হতে পারে দেশের পর্যটনের অন্যতম একটি স্থান। আর তা সম্ভব হলে দেশের পর্যটন খাতে অনেক বড় অবদান রাখতে পারবে এটি।
