প্রাইভেটকারের বাম্পারের সঙ্গে আটকে পড়ার পর নারীকে রাস্তায় টেনেহিঁচড়ে নেওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিচ্যুত শিক্ষক মোহাম্মদ আজহার জাফর শাহ (৫৫) মারা গেছেন।
শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মারা যান তিনি। বর্তমানে তার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া শুক্রবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কারারক্ষী জুবায়ের হোসেন জানান, মোহাম্মদ আজহার জাফর শাহ কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতি হিসেবে ছিলেন। শুক্রবার হঠাৎ অসুস্থ বোধ করায় তাকে ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি সড়ক দুর্ঘটনাজনিত মামলার আসামি ছিলেন।
গত ২ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ এলাকায় বিকেল ৩টার দিকে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় রুবিনা আক্তার নিহত হন। নিহতের বোনজামাই মোটরসাইকেল চালক নুরুল আমিন বলেন, আমার আপার বাসা তেজগাঁও। সেখান থেকে আর এক বোনের বাসা হাজারীবাগ সেকশন এলাকায় যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হই। পরে শাহবাগ জাদুঘরের সামনে পৌঁছালে পেছন থেকে একটি প্রাইভেটকার ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে আপাকে গাড়িতে টেনে নীলক্ষেত মোড় পর্যন্ত নিয়ে আসে।
তিনি আরও বলেন, আমি পেছন থেকে তাকে ডাকতে ডাকতে এক কিলোমিটার চলে আসি কিন্তু সে গাড়ি থামায় না। পরে নীলক্ষেত মোড় এলাকায় আসলে আশপাশের লোকজন গতিরোধ করে চালককে গণধোলাই দেয়। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে আমার আপাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

