আমন্ত্রণ পেলেও রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ২২তম ত্রিবার্ষিক জাতীয় সম্মেলনে বিএনপির তিন নেতার কেউই আসেননি।
আজ শনিবার(২৪ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বেলুন-পায়রা উড়িয়ে দিনব্যাপী এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিলো। তবে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিএনপির কোনো নেতাকে দেখা যায়নি।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, দলের তিনজন নেতাকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিলো। তবে তারা তিনজনই দেশব্যাপী পূর্বঘোষিত গণমিছিল কর্মসূচিতে বিভিন্ন এলাকায় নেতৃত্ব দেবেন। ফলে অন্য কোনো নেতা যাবেন কি না জানা নেই।
তিনি বলেন, নাম উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খানকে আমন্ত্রণপত্র দেওয়া হয়েছিলো। কিন্তু আজকে দেশব্যাপী গণমিছিলের অংশ হিসেবে ড. মোশাররফ চট্টগ্রামে, মঈন খান খুলনায় ও নজরুল ইসলাম খান কুমিল্লায় অবস্থান করছেন। সে কারণে তাদের আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, সারাক্ষণ মেরে পিটিয়ে আহত করে, জেলে পুরে যদি ফুল ছুঁড়ে দেয় সেই ফুল কেউ গ্রহণ করে না।
এর আগে শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যান। সেখানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সের হাতে তিনটি কার্ড দেন। কার্ড তিনটিতে তিনজন নেতার নাম উল্লেখ করা ছিলো।
আমন্ত্রণ কার্ড ‘গ্রহণ’ করে প্রিন্স আওয়ামী লীগের নেতাদের বলেন, সবাই (নেতাকর্মী) অফিসের বাইরে। আমাদের মহাসচিবসহ নেতারা কারাগারে। নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে পরে জানাবো। তাদের কাছে কার্ড পৌঁছে দেবো।

