সীতাকুণ্ডে ৮ বছর ধরে শিকলবন্দী জীবন কাটাচ্ছেন ইমাম হোসেন (২৯)। পায়ে লােহার শিকল ও তালা দিয়ে বসত ঘরের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখা হয়েছে তাকে। জন্মের পর থেকে ইমাম হোসেন বাক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। উপজেলার ৫নং বাড়বকুণ্ড ইউনিয়ন এর অলিনগর গ্রামের মৃত আনােয়ার হােসন ও রহিমা খাতুন এর তিন ছেলের মধ্যে ইমাম হােসেন মেঝ। অন্যত্র চলে যাবার ভয়ে তাকে শিকলবন্দী করে রাখা হয়েছে।
চরম আর্থিক সংকট থাকায় মানসিক প্রতিবন্ধী এই ছেলের ছেলের চিকিৎসার খরচ জােগাড় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বদ্ধা মা রহিমা খাতুনকে। তিনি বলেন, আমার ছেলেটি ৮ বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন। সে যাতে আমার চোখের আড়াল না হয় তার জন্যে শিকল দিয়ে বেঁধে রেখেছি। প্রথম দিকে বিভিন্ন জায়গায় ডাক্তার-কবিরাজের নিকট চিকিৎসা করালে কিছুটা সুস্থ্ হয়। আর্থিক সমস্যার কারণে নিয়মিত চিকিৎসা করাতে পারছিনা। সরকার প্রতিবন্ধীদের জন্য কত রকমের সাহায্য সহযোগিতা করছে অথচ আমি গরীব হওয়ার পরও আমার প্রতিবন্ধী ছেলের জন্যে একটি কার্ড পাইনি। চিকিৎসার জন্যে কারো একটু সহযোগিতা পেলে হয়তো আমার ছেলে সুস্থ্ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারতাে।
ইমা

