রাকিবুল ইসলাম রিকাত হত্যাকান্ডে জড়িত গোলাম কাদের হৃদয় ও মো. সাকিবকে গ্রেফতার করেছে নগর পুলিশ (সিএমপি)।
মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) ভোর রাতে আনোয়ারার মোহছেন আউলিয়া মাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে রিকাত খুনের সাথে জড়িত এই দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, নগরের চান্দগাঁও এলাকার সফি হাজীর বিল্ডিংয়ের হাজী মো. সফির ছেলে মো. গোলাম কাদের অরফে হৃদয় (১৯) ও একই এলাকার মো. আবু তাহেরের ছেলে মো. সাকিব (২১)।
বুধবার (২ নভেম্বর) গ্রেফতারকৃতদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, গ্রেফতারকৃতদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এক মেয়ের সঙ্গে রিকাত ও সাকিবের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। গত ৩১ অক্টোবর বিকালে বলিরহাটের কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ঘুরতে যাচ্ছিল রিকাত। এ সময় স্লুইস গেটের পশ্চিম পাশে সাকিব, হৃদয় ও তাদের সহযোগী আরমান, আরজু সানিফরা মিলে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী রিকাতকে পিঠে ও পেটে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে।
এ ঘটনায় নিহতের পিতা মো. শরীফ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আনোয়ারা থানা মোহছেন আউলিয়া মাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে চন্দনাইশের রুবেল নামে এক ব্যক্তির ভাড়াঘর থেকে উদ্ধার করা হয় হত্যায় ব্যবহৃত ছোরা।হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তিন সহযোগী আরমান, আরজু, সানিফকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম বলেন, নিহত রিকাতসহ বাকি ৫ জন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটিকের সাথে জড়িত ছিলো। অন্যদিকে সাকিবের সঙ্গে বহুদিন যাবত ১৬ বছরের কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরে কিশোরীর সাথে নতুন করে প্রেমের সম্পর্ক হয় রিকাতের। বিভিন্ন সময় ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জারে নানা ধরনের এসএমএসের মাধ্যমে কিশোরীর সাথে যোগাযোগ হতে থাকে। যার কারণে পূর্বপরিকল্পিতভাবে রিকাতকে ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
ইউডি

