হোটেল তৈরির পরিকল্পনা ছিল স্পেনের ফুটবলার জেরার্ড পিকের। সেই উদ্দেশ্যে ১৬৫ কোটি টাকা খরচ করে স্পেনের দক্ষিণ দিকে কোস্টা ডেল সলে জমি কিনেছিলেন বার্সেলোনার ডিফেন্ডার পিকে। কিন্তু বিধি বাম! তার কেনা সেই জমিতে আবিস্কৃত হল দেশের সর্ববৃহৎ কবরস্থান; সেখানে রয়েছে ২৫০টি কবর।
তাই প্রত্মতত্ত্ব বিভাগের উগ্যোগে সেই জায়গাটি নিয়ে গবেষণা হবে। আপাতত ওখানে হোটেল তৈরি করতে পারবেন না পিকে। তাকে এখন অপেক্ষা করে থাকতে হবে।
প্রত্নতাত্ত্বিকবিদ আলবার্তো কাম্পিয়ান বলেন, “২৫০টি কবর পাওয়া গিয়েছে। সেগুলির বেশির ভাগই ফাঁকা। হয়তো ওই কবরগুলো ব্যবহার করাই হয়নি। সেগুলি খুব দামি ছিল না যে, যতœ করে রাখতে হত। দেশের সব থেকে বড় কবরস্থান এটা।”
এই বছরের মধ্যে পুরো জায়গাটা পরিষ্কার করা সম্ভব হবে না। আগামী বছর সেখানে কাজ শুরু হতে পারে। ফুটবল জীবনের শেষ দিকে পিকে। অবসর নেয়ার আগেই পরবর্তী কাজের কথা ভাবতে শুরু করে দিয়েছেন তিনি। সেই কারণেই ১৬৫ কোটি টাকা খরচ করে হোটেল তৈরি শুরু করেছিলেন পিকে।
পরের বছরই বার্সেলোনা তাকে ছেড়ে দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তাকে অবসর নিতে বলা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। তাতে আর্থিক ভাবে কিছুটা লাভবান হবে বার্সা।
পিকের যদিও স্পেনের ক্লাবের সঙ্গে ২০২৪ সাল পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে। প্রথম একাদশে সব সময় সুযোগ পাচ্ছেন না পিকে। তার একসময়ের সতীর্থ জাভির কোচিংয়েই দল থেকে বাদ পড়তে শুরু করেছেন তিনি।
স্পেনের হয়ে ২০১০ ফুটবল বিশ্বকাপ জিতেছিলেন পিকে। আট বার লা লিগা এবং তিন বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছিলেন তিনি।
২০০৮ সালে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে বার্সেলোনায় যোগ দিয়েছিলেন পিকে। ৬১৪টি ম্যাচ খেলা হয়ে গিয়েছে তার স্পেনের ক্লাবের হয়ে। ৫৩টি গোলও করেছেন তিনি। সেই ডিফেন্ডারকে মাঠের বাইরে রেখেই বেশির ভাগ সময় নামছে বার্সেলোনা।
সূত্র: মিরর ইউকে, আনন্দবাজার
ইউডি

