আজ জীবনের পঞ্চাশ বসন্ত স্পর্শ করলেন বলিউডের আলোকিত তারকা ও সাবেক মিস ইউনিভার্স ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। এরইম ধ্যে ভক্তদের অগ্রিম শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসছেন বচ্চন পরিবারের পত্নী; যিনি নিজের সৌন্দর্যে ও অভিনয়গুণে কয়েক দশক ধরে মুগ্ধ করে রেখেছেন কোটি দর্শক। প্রতি বছর ৩১ অক্টোবর রাত ১২টা বাজতেই ভক্তরা ঐশ্বরিয়াকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে শুরু করেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভক্তদের পাশাপাশি সহকর্মী ও স্বজনদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন এই সাবেক বিশ্ব সুন্দরী।
১৯৭৩ সালের আজকের এই দিনে (১ নভেম্বর) মঙ্গালোরের কর্নাটকে জন্মগ্রহণ করেন বলিউডের এ অভিনেত্রী। তার মাতৃভাষা তুলু হলেও হিন্দি, ইংরেজি, মারাঠি এবং তামিল ভাষায় সাবলীলভাবেই কথা বলতে পারেন তিনি। অভিনয় জগতে পদার্পণ করার আগে তিনি মডেল হিসেবে কাজ করতেন এবং ১৯৯৪ সালে বিশ্ব সুন্দরী খেতাব অর্জন করার পর ব্যাপক খ্যাতি লাভ করেন। সমগ্র কর্মজীবনে তিনি বেশকিছু আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রসহ চলিস্নশটিরও অধিক হিন্দি, ইংরেজি, তামিল এবং বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। গণমাধ্যমে প্রায়ই বিশ্বের অন্যতম সুন্দরী নারী হিসেবে উলিস্নখিত ঐশ্বর্য রাই। মণি রত্নমের তামিল ছবি ইরুভার (১৯৯৭) ছবিতে অভিনেত্রী হিসেবে প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন এবং প্রথম বাণিজ্যিক সাফল্য পান তামিল ছবি জিন্স (১৯৯৮)-এ। তিনি সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ (১৯৯৯) ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। এই ছবিতে অভিনয়েরর জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন।

২০০২ সালে বানসালির পরবর্তী ছবি দেবদাস-এ তিনি অভিনয় করে তিনি দ্বিতীয়বার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন। ২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল ছিল তার কর্মজীবনের একটু বাজে সময়। এরপর তিনি অভিনয় করেন বস্নকবাস্টার ছবি ‘ধুম-২’তে। এই ছবিটা ছিল তার বলিউডের বৃহত্তম অর্থনৈতিক সাফল্য। পরবর্তী সময় তাকে ‘গুরু’ এবং ‘যোধা আকবর’-এ অভিনয় করতে দেখা যায়, যেগুলো ছিল অর্থনৈতিকভাবে সফল ছবি এবং এই ছবিগুলোতে অভিনয়ের জন্য তিনি সমালোচকদের দ্বারা প্রশংসিতও হন।

