সমাজসেবক ফরিদ মাহমুদ বলেছেন, গুনি মানুষরা স্রোতের অনুকুলে গা ভাসিয়ে দেন না। তারা স্রোতের বিপরিতের মানুষ। তারা যা বিশ্বাস করেন,সত্য হিসেবে মানেন তাই বলেন।কিন্তু বর্তমান যুগটা গুনি মানুষের জন্যে খারাপ যাচ্ছে।আমরা গুনের মর্যাদা দিই না,মেধার মুল্যায়ন করি না।আমরা চাকচিক্য ও অর্থবিত্তকে প্রাধান্য দিই।এটা ভালো লক্ষণ নয়। অবৈধ উপায়ে অনেকেই বিপুল সম্পদ গড়েছেন। টাকা দিয়ে তারা সম্মান অর্জন করতে চায়।এটা ক্ষণিকের।পোর্টেট আয়োজিত আলোকচিত্রী সম্মিলন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
সংগঠনের ৩৩ বছর পূর্তিতে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রথিতযশা আলোকচিত্র শিল্পী মওদুদ আলম। পোর্ট্রেট সম্পাদক রূপম চক্রবর্তী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সিনিয়র সহ সভাপতি রুবেল খান,চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, সাবেক বিএফইউজের যুগ্ম সম্পাদক আসিফ সিরাজ,প্রেস ক্লাবের আপ্যায়ন সম্পাদক সম্পাদক আইয়ূব আলী,পোর্ট্রেট এর উপদেষ্টা মিন্টু দাশ, শেখ আদনান শুভ,প্রভাস দে,মডেল শেখ পুতুল, চট্টগ্রাম ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দেব প্রসাদ দেবু, সাধারন সম্পাদক রাজেশ চক্রবতী, সোহেল সরওয়ার, রবি শংকর চক্রবর্তী, আলোকচিত্রী বাসব শীল,কে ইউ মাসুদ,হাবীবুর রহমান মিঠু,বিশ্বজিত ধর,নসিমা আক্তার, সাইফ আজাদ, মাখন লাল সরকার,ফোরখান আবু প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বক্তাগণ বলেন, স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে আলোকচিত্র সাংবাদিকতায় চট্টগ্রাম সব সময় অগ্রগামী ছিল। আন্তর্জাতিক পুরস্কারের দিক দিয়েও চট্টগ্রাম ছিল সেরা।প্রযুক্তির উৎকর্ষের এ যুগেও আলোকচিত্র শিল্পের উপযোগীতা নুন্যতম কমেনি। কিন্তু সম্মান ও মুল্যায়নের দিক দিয়ে আলোকচিত্র সাংবাদিকরা অবহেলিত। এদেশে যদি আলোকচিত্র সাংবাদিকদের জন্যে স্বীকৃত সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকতো আজকের এ অবস্থা হতো না।বাংলাদেশের চিত্র সাংবাদিকদের কাজের মান অনেক উঁচু ও উন্নত।ভারতের পুনের ন্যায় এদেশে চিত্র সাংবাদিকদের জন্যে একাডেমি গড়ে উঠুক এটা সকলের দাবী।শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে সমাজসেবক ফরিদ মাহমুদকে সম্মানসূচক ক্র্যাষ্ট তুলে দেওয়া হয়।

