মেয়াদোত্তীর্ণ নষ্ট গুড়া দুধ নতুন গুড়া দুধের সাথে মিশিয়ে নতুন তারিখ লাগানো প্যাকেটে বাজারজাত করে আসছিল এনজিএস নামের একটি প্রতিষ্ঠান। চট্টগ্রাম মহানগরের আকবর শাহ থানার উত্তর কাট্টলী এলাকায় প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব গোডাউনে চলছিল এই মানুষ মারা কারবারের অপকর্ম।
সোমবার দুপুরে ভোক্তা অধিকার দপ্তরের এক অভিযানে সিলগালা করা হয় এনজিএস নামের প্রতিষ্ঠানটিকে। একই সাথে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ভোক্তা অধিকারের উপ-পরিচালক ফয়েজ উল্ল্যাহ বলেন, নিউজিল্যান্ড, পোল্যান্ড থেকে আমদানি করা গুড়ো দুধের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২১ সালে। মেয়াদ শেষ হওয়া এসব গুড়ো দুধের সাথে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শেষ হবে এমন গুড়ো দুধ মিশিয়ে নিজেদের ইচ্ছামত তারিখ বসিয়ে প্যাকেটজাত করছিল প্রতিষ্ঠানটি। এটা ভোক্তাদের সাথে বড় ধরনের প্রতারণা। ভোক্তাদেরকে বাজার থেকে এনজিএসের পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে সতর্ক ও সচেতন থাকার আহবান জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, এনজিএসের ওই গোডাউনে হাজারের অধিক বস্তা আছে। প্রতিষ্ঠানটি এই ভেজাল গুড়ো দুধ কেবল মজুদ করেছে। কি পরিমাণ বস্তা আছে প্রতিষ্ঠানের কর্মরতরাও সঠিকভাবে বলতে পারছে না। আমরা ৪ লাখ টাকা জরিমানা করে সিলগালা করে এসেছি।
এদিকে ভোক্তা অধিকারের কাছে ধরা পড়ার পরে এনজিএস প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, মেয়াদোত্তীর্ণ গুড়া দুধগুলো নাকি পশুর খাদ্য হিসেবে বিক্রি করতেই প্যাকেটজাত করা হচ্ছিল।
এনজিএস গ্রুপের ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার মো. মোরসেলিম বলেন, ডেমেজ পণ্য তো আর কেউ ফেলে দেবে না। আমাদের মেয়াদোর্ত্তীর্ণ পণ্যগুলো পশুর খাদ্য তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফিড কোম্পানিগুলো মেয়াদোর্ত্তীর্ণ গুড়ো দুধগুলো পশুর খাদ্যে মিক্স করতে আমাদের কাছ থেকে কিনে নেয়।
ইউডি

