গত ৪ জুন রাত ৯টায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়িতে বিএম কনটেইনার ডিপোতে স্মরণকালের ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় আহত, নিহত এবং নিখোঁজ এমন ৩০ জনের পরিবার মালিক পক্ষ থেকে কোন ধরণের সাহায্য সহযোগিতা পাইনি বলে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবরে।
ইতোমধ্যে বিএম কনটেইনার ডিপোকে নতুন করে তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ডিপো কর্তৃপক্ষ। ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে এখানে প্রাণ হারান ৪৯ জন। যাদের অধিকাংশই এ ডিপোর কর্মকর্তা-কর্মচারী। ওই দুর্ঘটনায় আহত হয়ে এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও অনেকেই। এত হতাহতের শোক আর আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে আবারও উঠে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি শুরু করেছে বিএম ডিপো। চোখ আর শ্রবণ শক্তি হারানো মোঃ ফারুক বলেন, আমি বর্তমানে মানবেতর জীবন যাপন পার করছি। কোন ধরণের ক্ষতি পুরণ আমাকে দেওয়া হয়নি। আমাকে মালিক পক্ষ বলেছে, আপনি চিকিৎসা নিন। আমরা যত রকমের সহযোগিতা প্রয়োজন দেবো। অথচ জমি জমা সব বিক্রি করে চিকিৎসা খরচ চালিয়েছি। তারা কোন খবরও নেয়নি।
এরকম অভিযোগ জানিয়েছেন মোঃ অলিউল্লাহ, মোঃ সুমন, ফরমান, মুরাদ, মফিজ, হাসান, সোহেল, দিদার, কপিল, ফারুক, মামুন, হেলাল, আব্দুল জব্বার, কবির, মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন, সজীব, আমিরুল ইসলাম, মিজান উদ্দিন, আফসার, আনোয়ার, রুবেল, মুরাদ, মফিজ, সিয়াম, আব্দুল্লাহ মামুন, মোঃ তারেক, আব্দুল হাসিম, মোহাম্মদ লোকমান, মোহাম্মদ হোসেন আক্তার, নয়ন বড়ুয়া, নূর হোসেন, বিধান দে, মোঃ আশিক, মোঃ জাহাঙ্গীর, মোঃ নোমান মোঃ আমির হোসেন। বিএম ডিপো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে নিহত এবং নিঁখোজ ১৩ জনের পরিবারকে ১৫ লাখ টাকা করে, আহত অঙ্গ হারানো নয়জনকে ১০ লাখ টাকা করে, সাধারণ আহত পাঁচজনকে ছয় লাখ টাকা করে এবং প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়া তিনজনকে দুই লাখ টাকা করে দেওয়া হয়।
ইমা

