ডার্ক ওয়ার্থ লুইস স্টার্ন বা বৃষ্টি আইনে আয়ারল্যান্ডের কাছে মাত্র ৫টি রানে হেরে গেল ইংল্যান্ড। এর মধ্য দিয়ে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ মিশনে টিকে থাকাই অনিশ্চিত হয়ে গেল।
দিনের শুরুতে টস জিতে ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলার ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন আবহাওয়া নিয়ে নিশ্চিত ছিলেন না বলে।
তবে টস হেরে ব্যাট করতে নামা আইরিশরা শুরু থেকেই ছিল আক্রমণাত্মক। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে পল স্টার্লিংকে হারালেও অধিনায়ক অ্যান্ডি বালবার্নি আর উইকেটরক্ষক লরকান টাকারের কল্যাণে পাওয়ার প্লেতে তুলে ফেলেছিল ৫৯ রান। দশ ওভার শেষে সেই রানটা গিয়ে ঠেকল ৯২-তে।
তবে ব্যক্তিগত ৩৪ আর দলীয় ১০৩ রানে টাকার রান আউট হয়ে ফিরে যেতেই বিপাকে পড়ে যায় আইরিশরা। তার বিদায়ের এক বল পরই হ্যারি টেক্টর আউট হন শূণ্য রানে।
তবে বালবার্নি লড়াইটা চালিয়েছেন ভালই। ৪৭ বলে ৬২ রান করেছেন তিনি। বালবার্নি উইকেট হারালে মার্ক উড আর লিয়াম লিভিংস্টোনের তোপে ১৩৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে দলটি।
ইনিংসের চার বল বাকি থাকতেই ১৫৭ রানে অলআউট হয় আয়ারল্যান্ড।
জবাবে ইংলিশদের শুরুটাও ভালো হয়নি একটু। রানের খাতা খোলার আগেই ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলারকে সাজঘরের পথ দেখান জশ লিটল। এক ওভার বিরতি দিয়ে অ্যালেক্স হেলসও ফেরেন, ইংলিশরা শুরুতেই বিপাকে পড়ে যায়। বিপদটা বাড়ে ২৯ রানে বেন স্টোকসও ফিরে গেলে। ওপাশে দাভিদ মালান ছিলেন, তাকে সঙ্গী করে হ্যারি ব্রুক লড়াই শুরু করেছিলেন। তবে সেটা বেশিক্ষণ টিকল না। ১১তম ওভারে দলীয় ৬৭ রানে ফেরেন তিনি। দুই ওভার পর মালানও যখন ফিরছেন, তখন আইরিশদের রীতিমতো চলে আসে ম্যাচের চালকের আসনে।
মঈন আলী আর লিয়াম লিভিংস্টোন মিলে অবশ্য পরিস্থিতিটা বদলানোর চেষ্টা করছিলেন। ১২ বলে ২৪ রান করে আইরিশদের খানিকটা শঙ্কাতেও ফেলে দিয়েছিলেন মঈন। তবে তার পথটা এবার আগলে দাঁড়ায় বৃষ্টি। ৩৩ বলে ৫৩ রান চাই, এমন সময় বৃষ্টি নেমে আসে মেলবোর্নের আকাশ ভেঙে। তখনো ডাকওয়ার্থ লুইস স্টার্ন পদ্ধতিতে ইংলিশরা পিছিয়ে পাঁচ রানে। শেষমেশ সেটাই কপাল পুড়িয়েছে দলটির।
বৃষ্টির তোড়ে খেলা আর শুরু হয়নি। ফলে ডিএলএস পদ্ধতিতে ৫ রানে জয় পায় আয়ারল্যান্ড। বিশ্বকাপে আইরিশদের হাত ধরে জন্ম হল আরও এক অঘটনের।
ইউডি

