জাহিদ হাসান নিজেকে একজন র্যাব সদস্য এবং অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য বলে পরিচয় দিতেন । আসলে এই জাহিদ হাসান একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী, বোমাবাজ। র্যাব সদস্য পরিচয়ে তিনি এক পোশাক শ্রমিকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করে তাকে ঢাকার একটি হোটেলে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। পরে ঐ পোষাক শ্রমিকের নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যায়।
এমন অভিযোগে ভিকটিম রমনা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করলে মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) চট্টগ্রামের ইপিজেড থানার এমজেডএম ফ্যাক্টরি থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭।
গ্রেপ্তার জাহিদ হাসান যশোরের বাঘারপাড়া এলাকার মৃত আকবর সরদারের ছেলে। তিনি ৯ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি। চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন নাইট গার্ডের ছদ্মবেশে লুকিয়ে ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বুধবার (১৯ অক্টোবর) র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নুরুল আবছার বলেন, এক বছর আগে একজন পোশাককর্মীর সঙ্গে জাহিদের মোবাইলে পরিচয় হয়। সেখানে জাহিদ নিজেকে সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য এবং র্যাব সদস্য বলে পরিচয় দেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সখ্যতা গড়ে ওঠে। এরই একপর্যায়ে বিয়ের কথা বলে তাকে ঢাকায় নিয়ে যান। পরে ঢাকার একটি হোটেলে তাকে ধর্ষণ করে নগদ টাকা সোনার চেইন নিয়ে পালিয়ে যান। সেই মামলাতেই জাহিদ হাসানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার জাহিদ সরকার যশোরে জাহিদ সরদার বা বোমা জাহিদ নামে পরিচিত। সে যশোর জেলার বাঘারাপাড়া এলাকার একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি। যশোর জেলার বাঘারপাড়া এবং কোতোয়ালী থানায় তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, ডাকাতি, মাদক, প্রতারণা, বিস্ফোরণসহ নয়টি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে যশোর থেকে পালিয়ে সে চট্টগ্রামে চলে আসে।
ইউডি

