চট্টগ্রামে বিএনপির বিভাগীয় মহাসমাবেশে আসার পথে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন স্পটে যুবলীগ,ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর হামলা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
হামলায় বিএনপির অন্তত ১০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছে বলে বিএনপির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন।
বুধবার (১২ অক্টোবর) ভোর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতা-কর্মীরা অবস্থান নিয়ে চট্টগ্রামমুখী গাড়ি তল্লাশি করছে এবং কয়েকটি গাড়ি ভাংচুরের ঘটনাও ঘটেছে।
এদিকে, মিরসরাইয়ের ডাকঘর এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের গাড়িবহরে ব্যারিকেড সৃষ্টির সময় গাড়িচাপায় এক ছাত্রলীগ কর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ একটি বাস আটক করেছে বলে জানা গেছে।
জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর হোসেন মামুন বলেন, বারৈয়ারহাটে হামলার ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বিএনপির কোন নেতা-কর্মীকে হামলা করেনি। বিএনপির নিজের গ্রুপিংয়ের কারণে হয়তো হামলার ঘটনা ঘটতে পারে।
আজ সকালে বারৈয়ারহাটে হামলায় আহত হয়েছেন- পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র ও পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মো. জসিম উদ্দিন (৫০), হিঙ্গুলী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কাজী ছালেহ আহম্মদ (৫২), পৌর বিএনপির যুগ্ম আহকায় সেলিম হাজারী (৫০), বিএনপি নেতা জাফর আলম লিটন (৪০)সহ অন্তত ১০ জন। আহতদের উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা বিএনপির আহবায়ক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বারৈয়ারহাটে আমাদের চারজন নেতাসহ উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হামলায় অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি আশরাফুল কামাল মিটু বলেন, বিএনপি-জামায়াত যেন কোন ধরনের নাশকতা ও জ্বালাও-পোড়াও করে অরাজকতা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবস্থান নিয়েছি। তবে কাউকে মারধর করিনি। সমাবেশের দিকে যাওয়া কিছু গাড়ি তল্লাশি করে উত্তর দিকে পাঠিয়ে দিয়েছি।
ইউডি

