স্লোগান অনলাইনের “নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিঃ বড় দুই দলের পূর্নগঠন প্রক্রিয়ার সর্বশেষ” শিরোনামে আজ বৃহস্পতিবার( ৬ অক্টোবর ) দ্বীতিয় পর্বে জেলা বিএনপির স্থানীয় বাস্তবতা “বিভক্তি” খবর প্রকাশের দুইঘন্টা পরেই স্লোগানের প্রতিবেদনের বস্তুনিষ্ঠতা প্রমাণের দায়িত্বটা যেনো নিজেদের কাঁধে তুলে নিলো মহানগর বিএনপির বিবদমান দুই পক্ষ।কেন্দ্র ঘোষিত শোক র্যালীর কর্মসূচী পালন করলেন তাঁরা শহরের দুই প্রান্তে। একটি পক্ষ নগরীর মন্ডলপাড়া থেকে ব্যাংকের মোড় পর্যন্ত শোক র্যালি করেছে। অন্য একটি পক্ষ শোক র্যালি করেছে নগরীর মিশনপাড়া এলাকায়।আজ ৬ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় এই কর্মসূচি পৃথক ভাবে পালন করেছে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর অ্যাডভোকেট মো. শাখাওয়াত হোসেন খানকে আহ্বায়ক ও অ্যাডভোকেট মো. আবু আল ইউসুফ খান টিপুকে সদস্য সচিব করে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির ৪১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়ার পর থেকে সৃষ্ট স্থানীয় বিএনপির বিভক্তি প্রকট আকার ধারণ করে।
সেই কমিটির যুগ্ম আহবায়ক পদে থাকা অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন, আ. সবুর খান সেন্টু, আতাউর রহমান মুকুল ও আবু কাওসার আশা সহ ১৫ জন পদত্যাগ করেন।মাঝে কয়েকদিন পদত্যাগীরা রাজপথে সক্রিয় না থাকলেও দুইদিন আগে তাঁরা ঘোষণা দিয়েছিলেন, বিএনপির কর্মী হয়েই তাঁরা রাজপথ কাঁপাবেন।
আজ তাঁরই প্রতিফলন দেখলো নগরবাসী।উভয় পক্ষই ব্যাপক লোক সমাগমের চেষ্টা করেছে।দু’পক্ষই ব্যাপক
সমাগম করতে সমর্থ হলেও শহরবাসী বুঝতে পারেননি শোডাউনের আজকের খেলায় কোন পক্ষ জিতেছে।
যাই হোক,এড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও আবু আল ইউসুফ খাঁন টিপুর নেতৃত্বে নগরীর মিশনপাড়া থেকে একটি শোক র্যালি বের হয়। সেখানে সহস্রাধিক নেতাকর্মী সমবেত হয়েছিলো।
অন্যদিকে, আতাউর রহমান মুকুল, আব্দুর সবুর খান সেন্টু ও এড. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে পাল্টা একটি বিশাল মিছিল হয় নগরীর মন্ডলপাড়া এলাকায়।সহস্রাধিক নেতাকর্মী এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ করে কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, আবু কাওসার আশা, তৈমূর আলম খন্দকারের অনুসারী ও জাকির খানের অনুসারীরা ছিলেন এই মিছিলে।
দু’টি র্যালিতে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা কালো পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন।নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জে নিহত দুই শাওন হত্যার প্রতিবাদে সরকার বিরোধী জ্বালাময়ী বক্তব্য রাখেন।
ইমা

