ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা ও ব্যাটারী চালিত রিক্সার দৌরাত্ম বেড়েই চলছে। কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মহাসড়কে অবাধে চলছে এ বাহনটি।
হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আইন কানুনের তোয়াক্কা না করেই হাইওয়ে পুলিশের টোকেন বাণিজ্যের কারণে মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশে অবাধে চলছে তিন চাকার এ বাহনটি। ব্যস্ততম মহসড়কে নিয়মিত দূর্ঘটনার কারণে সরকার ২০১৬ থেকে তিন চাকার অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করে। এদিকে মহাসড়কে অবৈধভাবে সিএনজি অটোরিকশা চলাচলের ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা। বিশেষ করে উপজেলার বাড়বকুণ্ড হতে সীতাকুণ্ড এবং পৌর সদর থেকে বড়দারোগারহাট পর্যন্ত সিএনজি অটোরিকশা চলাচল করছে। সীতাকুণ্ড সদর থেকে মহাসড়ক হয়ে বাড়বকুণ্ড এলাকায় যাতায়াত করছে। কিছু গাড়ি কুমিরা পর্যন্তও চলাচল করছে। বাড়বকুণ্ড থেকে সীতাকুণ্ড সদর পর্যন্ত অবাধে চলছে সিএনজি অটো রিক্সা। গাড়িগুলো এমন বিনা বাধাঁয় চলছে দেখলে মনে হয়না গাড়িগুলো চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আছে। আবার নিয়ম না মেনে উল্টো পথে চলছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও বেশ কযেকজন চালকের সাথে কথা বলে জানা যায়, কুমিরা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িকে ম্যানেজ করে টোকেন বাণিজ্যের মাধ্যমে এ অবৈধ বাহনটি মহাসড়কে চলাচল করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিএনজি অটোরিকশা চালক বলেন, মাসে তিন হাজার টাকার বিনিময়ে গাড়ি চালায়। যাদের টোকেনের আওতায় আসেনি তাদেকে আটক করে হাইওয়ে থানার পুলিশ নিয়ে যায়। তখন মামলা দেয তিন হাজার টাকার কিন্তু আদায় করে ৭/৮ হাজার টাকা।
বেশ কয়েকজন সিএনজি চালক ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, সরকার মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা নিষিদ্ধ করলে আমরা বেকার হয়ে পড়ি। অথচ কিছু চালক বাড়বকুণ্ড থেকে বড়দারোগারহাট পর্যন্ত গাড়ি চালায় পুলিশকে টাকা দিয়ে। যদি চালানোর অনুমতি দেয় তাহলে সবাইকে দেওযা হোক। কেউ চালাতে পারবে কেউ পারবে না এটা কেমন নিয়ম। এদিকে মহাসড়কে উল্টো পথে অবৈধভাবে চলাচল করা সিএনজি নিয়মিত দুর্ঘটনায় পড়ে আহত নিহত হচ্ছে।
ইমা

