সুজন বড়ুয়া পেশায় একজন অনলাইন ব্যবসায়ী। এর পাশাপাশি শব্দ দূষণের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি করছেন মানুষের মাঝে। তিনি কোন দিন নগরীর নিউ মার্কেট, কোন দিন আগ্রাবাদ, কোনদিন জিইসি মোড় আবার কখনও টাইগার পাস কখনও বা দেওয়ান হাটে সড়কে দাঁড়িয়ে থাকেন প্লেকার্ড হাতে নিয়ে। গাড়ির চালকদের দৃষ্টি আর্কষন করেন তিনি। প্লেকার্ডে লিখা আছে ‘হাইড্রোলিক হরণ বন্ধ করুন, উচ্চ শব্দ সবার জন্যে ক্ষতিকর ’।
সুজন বড়ুয়া একাই সকাল দুপুর বিকাল প্রচন্ড রোদের মধ্যে সড়কের পাশে প্রতিদিন দাঁড়িয়ে থাকেন মানুষকে সচেতন করতে। এছড়া সড়কের পাশে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের সামনেও তিনি প্লেকার্ড হাতে নিয়ে উঁচু করে ধরে থাকেন। জুলাই মাস থেকে তিনি শব্দ দূষণের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছেন।
সুজন বড়ুয়া বলেন, শব্দদূষণ মানুষের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। শব্দদূষণের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকার সকল বয়সের মানুষ আজ দিশেহারা। কোনভাবে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। শব্দদূষণের বিরুদ্ধে দেশে আইন থাকলেও তা যথাযথভাবে প্রয়োগের অভাবে দিন দিন এর মাত্রা বাড়ছে। আর এর ক্ষতির শিকার হচ্ছে কোমলমতি ছোট ছোট বাচ্চারা। বড়রা কোন রকমে শব্দদূষণ সহ্য করতে পারলেও বাচ্চারা তা সহ্য করতে পারছে না। চিকিৎসকদের মতে, বড়দের পাশাপাশি শিশুদের কানের সমস্যা ক্রমশ বাড়ছে। আর বড়-ছোট মিলে রোগীর অনুপাত দেখলে সহজেই ধারণা করা যায় যে, আমাদের দেশের এখন সর্বত্র বিশেষ করে শহরে অতিরিক্ত শব্দদূষণের কারণে শ্রবণ সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করছে। আমি একাই যখন রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকি তখন অনেকে বিরূপ মন্তব্য করে,কেউ কেউ হাসা হাসি করে। কেউ আবার বাহবাও দেন তবে আমি কারো কথায় কিছু মনে করি না। কারণ মানুষকে সচেতন করা প্রত্যেক নাগরিকের কাজ। সুজন বড়ুয়া কাজ করছেন ” ধর্ষণমুক্ত সমাজ গড়ি,সেভ গার্ল ওয়ার্ল্ডওয়াইড সংগঠন নিয়ে।
ইমা

