জাতীয় সংসদ উপনেতা ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন। বর্ষীয়ান এই নেতার মৃত্যুতে আওয়ামী লীগসহ অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সর্বস্তরের কর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আজ ১২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের নেতৃবৃন্দ গণমাধ্যমে স্ব স্ব পক্ষ থেকে শোক বার্তা পাঠিয়েছেন।
বর্ষীয়ান এই রাজনীতিকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সালাম, সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী,
শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ১৯৭৫ পরবর্তী আওয়ামী লীগের সংকটময় মুহূর্তে দলকে সংগঠিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ১৯৭৬ সালে তিনি আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯২ থেকে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নির্বাচিত হয়ে আসছেন। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি জাতীয় সংসদের উপনেতা হন। তার মৃত্যুতে আমরা আওয়ামী পরিবারের দুঃসময়ের একজন অকুতোভয় সৈনিককে হারালাম। তিনি দেশ ও মানুষের কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে গেছেন। বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদের মৃত্যুতে দেশ ও জাতির অপূরণীয় ক্ষতি হলো তার মৃত্যুতে যে শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে তা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।
শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ সদ্য প্রয়াত সাজেদা চৌধুরীর রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
প্রবীণ রাজনীতিক সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১১টা ৪০টা মিনিটে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ফরিদপুরে জন্ম নেওয়া সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর শ্বশুরবাড়ি চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায়।
ইউডি

