গাড়ি ও সোনা ব্যবসায়ী মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনিরের বিরুদ্ধে মাদক মামলায় অভিযোগ গঠন করেছে আদালত। এর ফলে আনুষ্ঠানিক ভাবে এই মামলায় বিচার শুরু হলো।
বৃহস্পতিবার(১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম এই আদেশ দেন।
এর আগে গত ২৬ জানুয়ারি অর্থপাচার মামলায় মো. মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনিরকে জামিন আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) ২ মাসের মধ্যে এই মামলার তদন্ত শেষ এবং আগামী ৩ এপ্রিলের মধ্যে বিচারিক আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ এ রায় দেন।
২০২০ সালের ২১ নভেম্বর মনিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই দিন সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তার বাসা থেকে ৬০০ ভরি সোনার গহনা, বিদেশি পিস্তল-গুলি, মদ, ১০টি দেশের বিপুল পরিমাণ মুদ্রা ও নগদ এককোটি ৯ লাখ টাকা জব্দ করা হয়।
গত বছরের ১১ মে সিআইডির পরিদর্শক মোহাম্মদ ইব্রাহিম মনিরসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে বাড্ডা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে মনিরের স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও বোনকেও আসামি করা হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়, মনিরের প্রায় ৩০টি প্লট, এক ডজনেরও বেশি ভবন ও দুটি গাড়ির শোরুম আছে। এর সবগুলোই তার অবৈধ উপার্জিত অর্থ দিয়ে কেনা হয়েছে।
সিআইডি ইন্সপেক্টর ইব্রাহিম জানান, মনির সোনা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার সময় ১২৯টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৭৯১ কোটি টাকারও বেশি টাকা জমা দেন। ওই অ্যাকাউন্টগুলোতে এখন মাত্র ৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা পাওয়া যাচ্ছে।
ইমা

