চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ জনের দেহে করোনায় নতুন সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণ হার ২ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এ সময়ে শহর ও গ্রামে করোনায় আক্রান্ত কোনো রোগির মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
করোনা সংক্রান্ত জেলার হালনাগাদ পরিস্থিতি নিয়ে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রেরিত আজকের প্রতিবেদনে এ সব তথ্য জানা যায়।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি ও নগরীর দশ ল্যাবরেটরিতে গতকাল ১৭৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নতুন আক্রান্ত ৫ জনের মধ্যে শহরের ৩ ও দুই উপজেলার ২ জন। এদের একজন সীতাকু- ও একজন কর্ণফুলী উপজেলার। জেলায় করোনায় মোট আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ২৮ হাজার ৭১৭ জনে। এর মধ্যে শহরের ৯৩ হাজার ৮২৮ এবং গ্রামের ৩৪ হাজার ৮৮৯ জন। করোনায় মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩৬৭ জন রয়েছে। এতে শহরের ৭৩৭ ও গ্রামের ৬৩০ জন।
ল্যাবভিত্তিক রিপোর্টে দেখা যায়, ফৌজদারহাটস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস ল্যাবে গতকাল ৩১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হলে শহরের একজনের সংক্রমণ ধরা পড়ে। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ল্যাবে ২১ জনের নমুনায় শহরের এক ও গ্রামের ২ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। বেসরকারি ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ২৪টি নমুনার মধ্যে শহরের একটিতে ভাইরাস চিহ্নিত হয়।
আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের আরটিআরএল-এ ২, বেসরকারি ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরি শেভরনে ৩৪, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে ৭, মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল ল্যাবে ৮, এপিক হেলথ কেয়ারে ১৪, মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ৩, এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতাল ল্যাবে ২২ এবং এভারকেয়ার হসপিটাল ল্যাবে ১০ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। আট ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষিত ১০০ নমুনার সবগুলোরই নেগেটিভ রেজাল্ট আসে।
ল্যাবভিত্তিক রিপোর্ট বিশ্লেষণে বিআইটিআইডি’তে ৩ দশমিক ২২, চমেকহা’য় ১৪ দশমিক ২৮ ও ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৪ দশমিক ১৬ শতাংশ এবং আরটিআরএল, শেভরন, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল, মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল, এপিক হেলথ কেয়ার, মেট্রোপলিটন হাসপাতাল, এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতাল এবং এভারকেয়ার হসপিটাল ল্যাবে ০ শতাংশ সংক্রমণ হার নির্ণিত হয়।

