রোদ ও ভ্যাপসা গরম আর সঙ্গে মারাত্নক লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সীতাকুণ্ড উপজেলার জনজীবন। দুর্ভোগ পোহাচ্ছে সাধারণ মানুষ। বিদ্যুতের অভাবে কোনো কোনো গ্রাহক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। জনগণের ভোগান্তি কমাতে সরকার এলাকাভিত্তিক ১ ঘন্টা করে লোডশেডিংয়ের উদ্যোগ নিলেও তবে এটি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছেনা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলায় পাঁচ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না।
এ অবস্থায় তীব্র গরমে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে মানুষ। ঘোষণা দিয়ে এক ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের কথা বলা হলেও কথা রাখতে পারছে না বিদ্যুৎ বিভাগ। দফায় দফায় বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। এক ঘণ্টার স্থলে তিন ঘণ্টা এমনকি পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে গ্রাহককে। গ্রাহকদের অভিযোগ দিনের বেলা ৫/৬ ঘন্টা বিদুৎ থাকে না। আবার রাতের বেলায়ও ৪/৫ ঘন্টা বিদুৎ থাকেনা। সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মামুন চৌধুরী বলেন, সারাটা দিন অন্তত ১০ থেকে ১৫ বার আপনারা লোডশেডিং দিচ্ছেন। বিদ্যুৎ একবার যাচ্ছে একবার আসতেছে আমাদের সারাদিনের কর্মকাণ্ড হচ্ছে না আবার আপনারা রাত্রে ১১ টার দিকে একবার দিচ্ছেন। রাত ২ টা বা ৩টার দিকে দিয়ে একেবারে সকাল বেলায় দিচ্ছেন। তাহলে আমাদের জনজীবন চলছে কিভাবে ?
বার আউলিয়া এলাকার সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এ রকম নজিরবিহীন লোডশেডিং আগে দেখিনি। আগেও লোডশেডিং হয়েছে। তবে সে সময়ের বাস্তবতার সঙ্গে এখনকার বাস্তবতার মিল নেই। দিনের বেলার মতো এখন রাতেও বিদ্যুৎ থাকছে না।
ফৌজদার হাট বিদুৎ বিতরণ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী লোড শেডিং এর বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, যখনই ফিকোয়েন্সিং কমে যায় এবং চাহিদা বেড়ে যায় লোডশেডিং এর মাত্রা বেড়ে যায়। উপজেলায় চাহিদা রয়েছে ২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। কিন্তু এখন চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ পাচ্ছি। অনেক সময় অর্ধেকের কিছু বেশি পাওয়া যাচ্ছে। এ জন্য ঘন ঘন লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।’ কবে নাগাদ বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে-এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘এটা জাতীয় সমস্যা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে সেপ্টেম্বরের দিকে।
ইমা

