চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রি করার জন্য পাচ্ছেনা ক্রেতা। এক সময় বাড়ি বাড়ি গিয়ে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা কোরবানির চামড়া সংগ্রহ করলেও এখন কোরবানি দাতারা খুঁজেও কোনো চামড়ার ক্রেতা পাননি। ফলে বিভিন্ন মসজিদ মাদরাসায় বা সেবা সংস্থায় বিনামূল্যে চামড়া দান করে দিয়েছেন তারা।
এদিকে গাউছিয়া কমিটি বিনামূল্যে প্রায় এক লাখ পশুর চামড়া সংগ্রহ করেছে বলে জানা গেছে।
এদিকে রোববার সন্ধ্যা থেকে নগরীর মুরাদপুর, বিবিরহাট, আতুরার ডিপো, বহদ্দারহাট, চৌমুহনীসহ বিভিন্ন এলাকায় মৌসুমী চামড়া বিক্রেতারা চামড়া নিয়ে এসেছেন। অতি স্বল্প দামে চামড়া কিনে আনলেও সামান্য লাভেও সেই চামড়া বিক্রি করতে পারছেন না তারা। ফলে নগরীর বিভিন্ন সড়কে জমে আছে কাঁচা চামড়ার স্তূপ।
চট্টগ্রামের মুরাদপুর আঁতুরার ডিপু এলাকায় চট্টগ্রামের প্রধান চামড়ার আড়ত সমূহ। সেখানে চামড়া সংগ্রহেও তেমন তোড়জোড় লক্ষ্য করা যায়নি।
বৃহত্তর চট্টগ্রাম কাঁচা চামড়া আড়তদার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ মুসলিম উদ্দিন বলেন, রোববার (১০ জুলাই) কোরবানির ঈদ ছিল। ওই দিন সন্ধ্যা থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে চামড়া আসতে শুরু করেছে। তবে আড়তগুলোতে আগের মতো গণহারে চামড়া সংগ্রহের সুযোগ নেই। কিছু চামড়া আড়তদাড়রা কিনছেন। আবার বিক্রেতারা যে দাম চাইছেন সে দামে চামড়া কেনা আড়তদাড়দের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। ফলে চামড়া সংগ্রহে ভাটা পড়েছে।
গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশের মহাসচিব মোছাহেব উদ্দিন বখতেয়ার বলেন, কোরবানির পর আমাদের স্বেচ্ছাসেবীরা চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে চামড়া সংগ্রহ করেছেন। কোরবানি দাতারা স্বপ্রণোদিত হয়ে আমাদের চামড়া দান করেছেন। এসব চামড়া নগরীর জামেয়া মাদরাসা প্রাঙ্গনসহ কয়েকটি পৃথক স্থানে লবন দিয়ে প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছে।
নগরীর আঁতুড়ার ডিপো এলাকার চামড়ার আড়তদার ইসমাইল বলেন, তীব্র গরমের মধ্যে অতিরিক্ত চামড়া সংরক্ষণের সুযোগ কম। তাই আমরা বেশি চামড়া সংগ্রহ করছি না। রোববার সন্ধ্যা থেকে কয়েকশ চামড়া সংগ্রহ করেছি।

