বিশেষ উদ্দেশ্যে মাহদি রেঞ্জ দিয়ে পদ্মা সেতুর নাট খুলে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) প্রধান মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, মাহদি রেঞ্জ দিয়ে পদ্মা সেতুর নাট খুলে ঢিল করে পরে হাত দিয়ে খোলার ভিডিও বানায়। উদ্দেশ্যমূলকভাবে নাট খোলার জন্যই সে সঙ্গে করে রেঞ্জ নিয়ে গিয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) রাজধানীর মিন্টো রোডে অবস্থিত ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিটিটিসি প্রধান মো. আসাদুজ্জামান।
সিটিটিসি জানায়,গ্রেফতার মাহদি তামিরুল মিল্লাত মাদ্রাসার ছাত্র। সেখানে ছাত্র অবস্থায় তিনি শিবিরের কর্মী ছিলেন। সেই মাদ্রাসা থেকে আলিম-দাখিল পাশের পর রাজধানীর কবি নজরুল কলেজে ভর্তি হন মাহদি। তবে তার রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি।তবে পড়াশোনা না করলেও মাহদি গ্রামের বাড়ি থাকতেন না। তিনি ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে থাকতেন।
সিটিটিসির এই কর্মকর্তা বলেন, পদ্মা সেতুর সাফল্যকে ছোট করা ও জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য একটি মহল চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ২৬ জুন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায় মাহদি হাসান পদ্মা সেতুর রেলিংয়ের নাট-বল্টু খুলে আবার লাগিয়ে দিচ্ছেন। সিটিটিসির সাইবার ইন্টেলিজেন্স বিভাগের নজরদারির ধারাবাহিকতায় লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ এলাকা থেকে মাহদিকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে পদ্মা সেতু উত্তর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সরকারের সাফল্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে মাহদি এই কাজ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঘটনার আগের রাতে মাহদি তার সঙ্গীদের নিয়ে পদ্মা সেতুতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। ২৬ জুন সেতুতে যান চলাচল শুরু হওয়ার দিন ভোরে মাহদি সঙ্গীদের নিয়ে মাওয়া প্রান্ত থেকে সেতু পার হয়ে ওইপারে যান।
সিটিটিসির এই কর্মকর্তা বলেন, পদ্মা সেতুর সাফল্যকে ছোট করা ও জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য একটি মহল চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ২৬ জুন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায় মাহদি হাসান পদ্মা সেতুর রেলিংয়ের নাট-বল্টু খুলে আবার লাগিয়ে দিচ্ছেন। সিটিটিসির সাইবার ইন্টেলিজেন্স বিভাগের নজরদারির ধারাবাহিকতায় লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ এলাকা থেকে মাহদিকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে পদ্মা সেতু উত্তর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ইমা

