হাটহাজারী-ফটিকছড়ি সীমান্ত নাজিরহাটে ছুরিকাঘাতে মোহাম্মদ রবিউল হোসেন বাবু (৩৭) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ইমন ও টিপু নামে আরো দুইজন। ৫ ডিসেম্বর রাতে হাটহাজারী-ফটিকছড়ি সীমান্ত নাজিরহাট ঘাট স্টেশন সংলগ্ন মুছা সওদাগরের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বাবু মুছা সওদাগরের বাড়ির মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক কোম্পানির বড় ছেলে।
জানা যায়,একটি বিয়ের সামাজিক বৈঠকে বাবুর সাথে বাকবিতণ্ডা হয় একই বাড়ির জসিমের (৪৮)সাথে। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে জসিম ঘর থেকে ছুরি এনে বাবুর গলায় আঘাত করে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে বাবু ঘটনাস্থলেই মারা যান। বৈঠকে থাকা লোকজন বাবুকে উদ্ধার করতে গেলে জসিম তাদেরকেও ছুরি দিয়ে আঘাত করে। বাবু ও আহত দুইজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ডা. রাজিব রহমান চৌধুরী জানান, হাসপাতালে আনার আগেই রবিউলের মৃত্যু হয়। আহত দুইজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় লোকজন খুনি জসিমকে স্থানীয় আজমির হোটেল থেকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

