শাহানশাহ হযরত জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী(ক.) ট্রাস্ট নিয়ন্ত্রনাধীন মহিলাদের আত্ম জিজ্ঞাসা ও জ্ঞানা অনুশীলনমূলক সংগঠন ‘আলোর পথে’র ব্যবস্থাপনায় “রাসুলুল্লাহ (দ.)-এর পবিত্র শানে আযমত এবং পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) পালনের সামাজিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব” শীর্ষক মহিলা মাহফিল ৩০ আগস্ট শনিবার ট্রাস্টের নিজস্ব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
তাসমিয়া তাবাসসুম ও নাসরিন আক্তার এর সঞ্চালনায় মাহফিলে নির্ধারিত বিষয়ের উপর আলোচনা করেন বিশিষ্ট ইসলামী স্কলার সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নুরুন্নবী আজহারী। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (দ.)’র আবির্ভাবের পূর্বে নারীদের সামাজিক কোনো অধিকার ছিল না। তাদেরকে জীবন্ত অবস্থায় কবর দেওয়ার রীতি প্রচলিত ছিল। এরূপ জাহেলিয়্যতপুর্ণ অবস্থায় রাসুল (দ.) পৃথিবীতে আগমন করে নারী স্বাধীনতার বিপ্লব ঘটিয়েছেন। নারীদের পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক সকল অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি আরও বলেন- রাসুলুল্লাহ (দ.)-এর জীবনের তিনটি দিক রয়েছে। সুরত তথা বাহ্যিক আকৃতি, সীরাত তথা জীবনাদর্শ এবং হালত তথা আধ্যাত্মিক অবস্থা। শুধুমাত্র রাসুলুল্লাহ (দ.)-এর বাহ্যিক আকৃতি তথা বেশভূষার অনুসরণে তেমন কোনো কল্যাণ নেই। বরং তাঁর জীবনাদর্শ এবং আধ্যাত্মিক শিক্ষা অনুসরণের মধ্যেই আমাদের ইহলৌকিক এবং পারলৌকিক কল্যাণ নিহিত রয়েছে।
মাহফিলে ‘স্বাস্থ্য কণিকা’ বিভাগে মহিলাদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা: রিহুল জান্নাত। কোরআন তেলাওয়াত করেন সিদরাতুল মুনতাহা, নাতে রাসুল (দ:) ও মাইজভাণ্ডারী কালাম পরিবেশন করেন তাজনিয়া শাহজাহান শুভ্রা ও মিফতাহুল জান্নাত। পরিশেষে দেশ জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করে মোনাজাতের মাধ্যমে মাহফিলের পরিসমাপ্তি ঘটে।

