ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ।ঋতুচক্রের আবর্তনে এদেশে আসে শীতকাল। শীতে পিঠা বাঙালির জীবন ও সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই সংস্কৃতিকে ধারণ করে বায়েজিদ মডেল স্কুল এ আজ আয়োজিত হয় পিঠা উৎসব। কেক কাটার মাধ্যমে দিনব্যাপী এই উৎসবের উদ্বোধন করেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি জনাব মাজহারুল হক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মুন্নী বড়ুয়া।
উৎসবের উদ্বোধন করে সভাপতি বলেন, সামাজিক ও অর্থনৈতিক কারণসহ নানা কারণে এখন আর গ্রামে-গঞ্জে সেভাবে পিঠা উৎসব হয় না। সেই উৎসব এখন শহরে নানা আনুষ্ঠানিকতায় হচ্ছে। এটা ভালো দিক। অন্তত এই উৎসবের কারণে আমরা আমাদের গ্রামের সেই পিঠাপুলির ঘ্রাণ নিতে পারছি, স্বাদ নিতে পারছি। তবে, এ উৎসব হতে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। এবারের উৎসবে ১০টি স্টলে প্রায় ১০০ পদের পিঠা নিয়ে হাজির হয়েছে ৬ষ্ঠ হতে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা। যার মধ্যে রয়েছে—ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, মালপোয়া, রস বড়া, মালাই পিঠা, লিচু পিঠা, কাটা পিঠা, কলা পিঠা, খেজুরের পিঠা, জামাই পিঠা, গোলাপ ফুল পিঠা, রসফুল পিঠা,পুলি পিঠা, পাতা পিঠা, পাটিসাপটা, পাকান পিঠা, নারকেলের সেদ্ধ পুলি, তেলের পিঠা, তেলপোয়া পিঠা, চাঁদ পাকান পিঠা, ছিট পিঠা, পানতোয়া, জামদানি পিঠা, ঝালপোয়া পিঠা, ঝুরি পিঠা, ছাঁচ পিঠা, ছিটকা পিঠা, চিতই পিঠা, দুধ চিতই,ফুল পিঠা, বিবিয়ানা পিঠা, সেমাই পিঠা, নকশি পিঠাসহ আরও বাহারি সব নামের পিঠা।
এদিকে, নানা বাহারি পিঠার সঙ্গে উৎসব আঙিনায় অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।এতে বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। এ আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন বায়েজিদ মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক ফাতেমা জান্নাত, মো.আল-ঈশাদ চৌধুরী, মানজুরুল,রোমানা, তারিন, সুমি, তানিয়া, নন্দিতা, লিলি, বকুল, শাওরিন, রশ্মি, তাইফা, শান্তা, সোমা, জেসমিন, প্রিয়াংকা, মাহমুদুল, চৈতী, ফাইরোজ।
বায়েজিদ মডেল স্কুলে রকমারি পিঠা উৎসব
অনলাইন ডেস্ক

