জল্পনা কল্পনায়, লোকাল মিডিয়ায় গত কয়েকদিন ধরে নারায়ণগন্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আসার সম্ভাবনায় তিনটি নাম ঘুরে বেড়াচ্ছিলো।ঐ তালিকায় ছিলোনা গত মেয়াদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন স্বচ্ছ ভাবমূর্তির
দল অন্তঃপ্রাণ নেতার অন্যতম একজন, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এর নাম।অন্যদিকে পাশের জেলা মুন্সীগঞ্জে আলোচনায় মহিউদ্দিন আহমেদই ছিলেন।বঙ্গবন্ধু কন্যার মূল্যায়ন সবসময়ই দলীয় নেতাকর্মী সমর্থকদের সন্তুষ্টির কারণ হয়।
বুধবার(২৭ এপ্রিল আরেকবার তা প্রমাণিত হলো জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নিয়োগ সংক্রান্ত স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রজ্ঞাপন জারির পরে।নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে পুনরায় নিয়োগ পেয়েছেন দুই জেলার সর্বজন শ্রদ্ধেয় দুই নেতা।নারায়নগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন জেলায় সর্বজন শ্রদ্ধেয় ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তি সম্পন্ন নেতা।দলীয় বিভাজনকে কখনোই প্রশ্রয় দেননি।দলের স্বার্থে তিনি যেমন শামীম ওসমান এমপি এর সঙ্গে মঞ্চে উঠেছেন,তেমনি দলের প্রয়োজনেই আইভীর বিজয় নিশ্চিত করতে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।বুধবার আনোয়ার হোসেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে পুনরায় নিয়োগ পেয়েছেন এই খবর ছড়িয়ে পড়লে জেলার তৃণমূলে খুশির আমেজ ছড়িয়ে পড়ে লক্ষনীয়ভাবে।প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব জসিমউদদীন আহমেদ, গোগনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুল আজিজ মাষ্টার,সাধারণ সম্পাদক এবিএম আজহারুল ইসলাম,আলীরটেক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ সহ অনেকেই যোগ্য মানুষকে মূল্যায়ন করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট কৃতজ্ঞতা জানান।একই সাথে আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেনকে অভিনন্দন জানান।অন্যদিকে বঙ্গবন্ধুর দেহরক্ষী হিসেবে মুন্সীগঞ্জের আপামর জনতা মোঃ মহিউদ্দিন আহমেদকে আদর করে বঙ্গবন্ধুর মহিউদ্দিন ডাকেন। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রবীণ এই নেতার পুনরায় নিয়োগ পাওয়া অনুমিতই ছিল।সেখানেও প্রজ্ঞাপন জারি হবার পর বিকেলে শহরে আনন্দ মিছিল করে দলীয়জ নেতাকর্মী সমর্থকরা।

