ঢাকার পুরানা পল্টনের কস্তূরী হোটেল গলির ফুটপাতে কয়েকজন আততায়ীর এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক মামুন মাহমুদ।সোমবার(২৫এপ্রিল) রাত সাড়ে আটটার সময় এ ঘটনা ঘটে।ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত জনতার সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও জনতা একজনকে ধরে গণধোলাই দিলে অজ্ঞাত সেই আততায়ী গুরুতর আহত হয়।অধ্যাপক মামুন ও গুরুতর আহত সেই আততায়ী দু’জনকেই উপস্থিত লোকজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।চিকিৎসা শেষে অধ্যাপক মামুন আশংকা মুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।অন্যদিকে জ্ঞান ফিরে না আসায় নাম জানতে না পারা আততায়ীর অবস্থা আশংকামুক্ত নয় বলেও জানিয়েছেন
কর্তব্যরত চিকিৎসক।চিকিৎসা শেষে রাত আনুমানিক সাড়ে এগারোটায় সাংবাদিকদের সাথে মোবাইলে কথা বলেছেন জেলা বিএনপির শীর্ষ এই নেতা।তিনি জানান কে,কারা বা কেনো আচমকা হামলা করেছে তা এখনই তিনি বলতে না পারলেও সহসাই জেনে যাবেন।তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় ব্যবসায়ী ইউসুফ আলী বলেন, পুরানা পল্টনে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি অধ্যাপক মামুনের একটি অফিস আছে।রাত সাড়ে আটটার দিকে তিনি অফিস থেকে বেড়িয়ে ফুটপাত দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় হঠাৎই কয়েকজন তাঁকে ঘিরে ধরে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে।আশেপাশের লোকজন চিৎকার শুনে এগিয়ে এলে তাঁদের কয়েকজন পালিয়ে গেলেও জনতা একজনকে ধরে গণধোলাই দেয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মনিরুল ইসলাম রবি জানান,মামুনের পল্টন অফিসে আজ তাঁদের
দলীয় মিটিং ছিলো। বিকাল তিনটায় মিটিং শুরু হয়। ইফতারের পর তাঁরা সবাই মিটিং শেষ করে চলে আসেন।তারপর সাংবাদিকদের কাছ থেকেই তিনি অধ্যাপক মামুনের আহত হওয়ার কথা জেনেছেন।
পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সালাহউদ্দিন মিয়া সাংবাদিকদের জানান, কস্তূরী হোটেল গলির কাছে রাতে একটি ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। সেই ঘটনায় জনতা একজনকে ধরে গণধোলাই দিয়েছে। সেও একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে তিনি জেনেছেন।তখনও কেউ কোন অভিযোগ করেননি জানিয়ে তিনি বলেন আহত ব্যক্তি পুলিশের নজরদারিতে আছে। সে সুস্থ হবার আগে বলা যাচ্ছেনা কিছুই। আমরা তদন্ত করে দেখবো এটা ছিনতাইকারীদের হামলা নাকি ভিন্ন কিছু।

