সন্দ্বীপ উপকূলে স্পিডবোট ডুবে নিখোঁজ তিন শিশুর মধ্যে এক কন্যাশিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল নয়টার দিকে উড়িরচর ইউনিয়নের উপকূলে একটি ঝোপ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার শিশুটি নিখোঁজ যমজ দুই বোন আদিবা ও আলিফার (৮) মধ্যে একজন বলে জানা গেছে। তাদের বাড়ি উপজেলার মগধরা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে। তাদের বাবা ওমানপ্রবাসী মো. আলাউদ্দিন। মায়ের নাম পান্না বেগম। গত বুধবার দুর্ঘটনার পর এই দম্পতির বড় মেয়ে নুসরাত জাহানের (১৩) লাশ উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার ফায়ার সার্ভিসের স›দ্বীপ স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা কিরিটি রঞ্জন বড়ুয়া বলেন, উড়িরচর এলাকায় সাগর উপকূল থেকে কোস্টগার্ডের সহায়তায় এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার শিশুর বয়স ৬ বছর। ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে শিশুর লাশটি পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, লাশটি জমজ দুই বোন ছয় বছর বয়সী আদিবা ও আলিফার মধ্যে কারও হবে। পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে, তারা এসে শনাক্ত করবেন। এ ঘটনায় তাদের বড় বোন আনিকার লাশ ঘটনার দিন উদ্ধার করা হয়েছিল। এক মেয়ে শিশুর সঙ্গে তাদের এলাকার মো. সমীরের ছেলে মনির হোসেনও (১০) এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে।
এর আগে বুধবার সীতাকুণ্ড থেকে ছেড়ে আস একটি স্পিডবোট কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঝড়ের কবলে পড়ে স্পিডবোটটি উল্টে। ওইদিন এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হলে নিখোঁজ হয় তিন শিশু। পরে এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মঈন উদ্দিনকে ওই কমিটির প্রধান করা হয়েছে।
এদিকে স্পিডবোট দুর্ঘটনার পর থেকে চট্টগ্রামের সীতাকুÐের কুমিরা ও সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া নৌপথে স্পিডবোটে যাত্রী পারাপার বন্ধ রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ নৌপথে স্পিডবোট চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন।

