মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেছেন মহান মুক্তিযুদ্ধে মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের সকল আওলাদে পাকের অবদানের কথা আমরা সকলে জানি।আউলিয়াকেরামদের নেক নজর ও সমর্থন মজলুম মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি ছিল বিধায় অতি অল্প সময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে জেনেছি মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফে বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা উড্ডীন ছিল।
তিনি বলেন মুক্তিযুদ্ধে গৌরব উজ্জ্বল ভূমিকার জন্য আমি এই দরবারের আওলাদ পাকদের কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি। ১৭ মে,শুক্রবার চট্টগ্রাম ফটিকছড়ি মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফ জিয়ারতে আসলে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি হযরত গাউসুল আযম আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (ক:),গাউসুল আযম সৈয়দ গোলামুর রহমান বাবাভাণ্ডারী (ক:)এর রওজাসহ দরবার শরীফের আওলাদে পাকগণের রওজা শরীফ জিয়ারত করেন। পরে তিনি মাইজভাণ্ডার শাহী জামে মসজিদে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় করেন। জুমার নামাজ শেষে তিনি অগ্নিকান্ড ক্ষতিগ্রস্ত্র মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ নাজিম উদ্দিনের বাসভবন পরিদর্শন করেন।এরপর মাইজভাণ্ডার রহমানিয়া মইনীয়া আলিম মাদ্রাসার সামনে একটি ফলজ ও একটি ওষুধি গাছ রোপন করেন এবং হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারীর (ক:) রওজা শরীফে পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন।
এতে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী,চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ তানভীর নাসির, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক চৌধুরী, পিএইচপি ফ্যামিলির পরিচালক আমির হোসেন সোহেল, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি বিএসপি স্থায়ী পরিষদ সদস্য তৌহিদুল কাদের চৌধুরী, ফটিকছড়ি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জাফর, মাওলান অলিউল্লাহ আশেকী, ডক্টর আমিনুল সাহেদ,অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম, হযরত মাওলানা নুরুজ্জামান চিশতী,সৈয়দ ফারহান রেজবী।এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির(বিএসপি) ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি কাজী মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন, স্থায়ী পরিষদ সদস্য ও দপ্তর সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিম মিয়া, চট্টগ্রাম জেলা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, মাইজভাণ্ডার রহমানিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মাওলানা গোলাম মোহাম্মদ খান সিরাজ, আমতল মুঈনীয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ বাকের আনসারী প্রমুখ।

