চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাব্বির ইকবাল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম বলেন, বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যের অন্তর্ভূক্ত সকল ভাষণের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে নির্দ্বিধায় সর্বশ্রেষ্ঠ বলা যায়। অথচ মিরাকল হল এটা ছিল একটা অলিখিত ভাষণ। এ ভাষণে বাঙালি জাতির ২৩ বছরের স্বাধিকার আন্দোলনের কথা যেমন ছিল, তেমনিভাবে ভবিষ্যৎ বাঙালি জাতির করণীয় সম্পর্কে দিক নির্দেশনাও ছিল। এ ভাষণে মুক্তিযোদ্ধের সকল প্রয়োজনীয় বিষয় সার-সংক্ষেপ হিসেবে এসেছে। এ ভাষণের সকল বাক্য-শব্দ অর্থবহ।
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, ৭ই মার্চের ভাষণ এক অভাবনীয় অমর বাণী। ১৮ মিনিটের এই ভাষণ মানুষকে নিস্তব্দ করেছিলেন, জাতিকে একত্রিত করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর এই দিক নির্দেশনা বক্তব্যই বাঙালি জাতি উদ্বুদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শ্লোগান ছিল, তুমি কে, আমি কে, বাঙালি বাঙালি, তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনা বঙ্গবন্ধু নিজের মত করে ৭ই মার্চের ভাষণ দিয়েছিলেন। যা বাঙ্গালির বুকে আজও নাড়া দেয়। ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এই বাংলায় ও এই বাংলার আকাশে বাতাসে এখনও ধ্বনিত হয়। বঙ্গবন্ধুর অমর বাণী, এবারের সংগ্রাম, মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিার নতেৃত্বে র্স্মাট বাংলাদশে নর্মিাণে আমরা সকলেই কাজ করছ।ি বাংলাদশে সবক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রসর হয়ছে।ে
এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মো: দিদারুল আলম, নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম চিশতী, বোরহান উদ্দিন মো: এমরান, আ ম ম দিলশাদ, নুরুল মোস্তফা সিকদার সংগ্রাম, মুহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান, এইচ এম আলী আবরাহা, সুরাইয়া খানম, ফারহানা আফরিন জিনিয়া|

