প্রথম দফায় ১৪ জনের পর আজ ৪ ফেব্রুয়ারী রবিবার দুপুরে জীবন বাঁচাতে আরও ৩৭ জন মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর সদস্য বাংলাদেশ সীমান্তে ঢুকে বিজিবির নিকট আত্মসমর্পণ করেছেন বলে জানা গেছে।এনিয়ে মোট ৫১ জন মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিলেন।দ্বিতীয় ধাপে আসা ৩৭ জনের মধ্যে ছয়জন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এসেছেন। এদিকে সীমান্তের ওপারে চলমান সংঘাতের গুলি ও মর্টারশেল এসে পড়ছে সীমান্তের এপারে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে।
রোববার সকালে মিয়ানমারের ছোড়া গুলিতে ২ বাংলাদেশি নাগরিক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের নাম হচ্ছে প্রবিন্দ্র ধর (৫৫)।অপরজন আহত নারীর নাম হচ্ছে রহিমা বেগম।আতঙ্কে গ্রাম ছেড়ে নিরাপদে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছেন সীমান্তবাসীরা।পরিস্থিতি বিবেচনায় সীমান্তবর্তী ৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়রা জানান, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু সীমান্তে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সামরিক জান্তা বাহিনীর সঙ্গে স্বাধীনতাকামী সংগঠন আরকান আর্মির মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে। শুক্রবার একদিন বন্ধ থাকার পর ফের জোরেশোরেই সংঘাত চলছে সীমান্তের ওপারে।শনিবার মধ্যরাত থেকে লাগাতার সংঘাত চলছে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষীর দুটি ক্যাম্প দখলের।যদিও ইরাবতীর অনলাইন নিউজে জানিয়েছে একটি ক্যাম্প ইতিমধ্যে দখল করে নিয়েছে আরাকান আর্মি সদস্যরা। তবে সীমান্তে চলমান সংঘাতে পালিয়ে মিয়ানমার সরকারি বাহিনীর ৫১ জন সদস্যের আশ্রয় নেওয়ার বিষয়ে প্রশাসন ও বিজিবির পক্ষ থেকে এখনো কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমার সরকারি বাহিনীর সদস্যরা তুমব্রু বিজিবি ক্যাম্পের বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দু’জন বিজিবি সদস্য।

