চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী দখল ও দূষণমুক্ত, অবৈধ বালু উত্তোলন, নদীর অপরিকল্পিত ব্যবহার, শিল্প কল-কারখানার অপরিশোধিত রাসায়নিক ও ডায়িংয়ের বিষাক্ত বর্জ্য থেকে কর্ণফুলীকে বাঁচাতে মানববন্ধন করেছে রেজাউল করিম সিকদার ফাউন্ডেশনসহ পাঁচটি সংগঠন। তারা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, কর্ণফুলী নদীর উভয় তীরের দুই সহস্রাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না করা, নতুন করে নদী দখল বন্ধ করা এবং সদরঘাট সংস্কারের দাবিও জানান।
আজ শনিবার সকালে কর্ণফুলী নদীর তীরে (চাক্তাই খালের মোহনা) এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২০ সালের ৪ থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫ দিন অভিযান চালিয়ে ৩ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর কেন বাকি দুই হাজারের অধিক স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়নি, তা জেলা প্রশাসন ও বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে জনগণ জানতে চায়। সম্প্রতি কর্ণফুলী তীরে আবারও দখল কার্যক্রম চলমান থাকলেও জেলা প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করে আছে।
ইউনাইটেড সোস্যাল নেটওয়ার্কের নির্বাহী ও পরিবেশ আন্দোলন কর্মী মুজিব উল্ল্যাহ্ তুষার ও দিলরুবা খানমের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন চৌধুরী মোহাম্মদ আনোয়ারুল আজিম।
এতে বক্তব্য দেন সংগঠনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমান, পরিবেশ আন্দোলনের নেতা সাংবাদিক আলীউর রহমান, আরকেএস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জাহেদুল করিম বাপ্পি সিকদার, কৃষিবিদ কাজী গোলাম মোস্তফা, সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ আনোয়ার চৌধুরী, মো. কামাল উদ্দিন, মাহবুব রহমান সুজন, ছাত্রলীগ নেতা মিঠুন দে, মোর্শদ আলম, মোহাম্মদ হাসান, আসাব উদিন, আবসার উদিন অলী, ফয়েজ, কমির, মাসুদ রানা, জানাতুল নাঈম নিশি, কর্ণফুলী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের সহ-সভাপতি জাফর আহমদ প্রমুখ।

