‘শহরের কাছে নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের লীলাভূমি বোয়ালখালী অন্ধকারে থাকতে পারে না। জনগণের ভোটে দায়িত্ব পেলে বোয়ালখালীকে বদলে দিতে চাই। বোয়ালখালীকে মাস্টারপ্ল্যানের আওতাভুক্ত করে উপশহরে পরিণত করব আমি। মাস্টার প্ল্যান কী, প্রকল্প কী, প্রকল্প কীভাবে প্রণয়ন করতে হয়, কীভাবে অনুমোদন নিতে হয়, বাস্তবায়ন করতে হয় আমি জানি।’
মঙ্গলবার বোয়ালখালী উপজেলার আমুচিয়া ইউনিয়নে ধোরলা মুক্তি সংঘের মাঠে কেটলি প্রতীকের সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনী সভায় চট্টগ্রাম–৮ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
তিনি দুপুরে কধুরখীলের আকুবদন্ডি জগদানন্দ মিশনে মহোৎসবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে কুশল বিনিময় ও কেটলী মার্কায় ভোট প্রার্থনা করে নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম শুরু করেন। এরপর বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ শেষ করে আমুচিয়া ইউনিয়নের ধোরলায় নির্বাচনী সভায় যোগ দেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, সামপ্রদায়িক চেতনা নিয়ে গণমানুষের কল্যাণ করা সম্ভব নয়। ছোটবেলা থেকে আমরা হিন্দু– মুসলমান একই মাঠে খেলে, একই পুকুরে ও নদীতে সাঁতার কেটে বড় হয়েছি। ঈদ ও পূজায় একইসাথে আনন্দ করেছি। যৌবনে বঙ্গবন্ধুর অসামপ্রদায়িক রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হয়েছি। গণমানুষের বৃহত্তর কল্যাণের কথা ভেবে ভাগ্য পরিবর্তনের নেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছি। আমি আপনাদের দায়িত্ব নিতে কেটলী মার্কায় ভোট চাইতে এসেছি। আগামী ৭ জানুয়ারি জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলে আমাকে ভোট দিয়ে আমাকে দায়িত্ব দিয়ে দেখুন। উন্নয়নের সুফল আমি বোয়াখালীর ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে আমার সমস্ত মেধা, শ্রম ও নিষ্ঠাকে কাজে লাগাব। আগামী ৫ বছর পর হয়তো আমি আর ভোট চাইতে আসতে পারব না, বয়সের কারণে সে উদ্যম হয়তো আর থাকবে না।
আমুচিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজল দে’র সভাপতিত্বে ও সঞ্জয় দে’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা আহমদ হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আমিন চৌধুরী, সাবেক সহসভাপতি রেজাউল করিম বাবুল, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মোহাম্মদ জাহেদ, সৈয়দ নুরুল ইসলাম, নুরুল আবছার, বোরহান উদ্দিন, মামুনুর রশিদ মামুন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

