কেটলি প্রতীক পেয়ে বিভিন্ন মসজিদ, মাজার, দরগাহ, পিতা–মাতা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের কবর জেয়ারত ও নেতৃবৃন্দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন চট্টগ্রাম–৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুচ ছালাম। বিকালে কালুরঘাট এলাকা থেকে গণসংযোগ করেছেন চট্টগ্রাম–৮ বোয়ালখালী–চান্দগাঁও–পাঁচলাইশ আসনের প্রার্থী সিডিএর সাবেক চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম।
কালুঘাট ব্রিজে গিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আবদুচ ছালাম বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা চান সুষ্ঠু, সুন্দর ও উৎসবমুখর নির্বাচন। একটি মহল চাইছে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বিদেশি শক্তির সহায়তায় ক্ষমতায় যেতে। আমরা চাই জনগণের অংশগ্রহণে একটি অর্থবহ নির্বাচন। আমার নির্বাচনী এলাকার জনগণ চেয়েছেন আমি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। গ্রাম ও শহরের সমন্বয়ে আমার নির্বাচনী এলাকাটি একটি ব্যতিক্রমী এলাকা। জনগণ মনে করেছেন, গ্রাম ও শহরের মানুষের চাওয়া পাওয়া সম্পর্কে আমি সহজেই ধারণা করতে পারব। কারণ, আমার জন্মস্থান মোহরা কর্ণফুলী ও হালদা বেষ্টিত একটি নিভৃত পল্লী ছিল। যে পল্লীতে আমার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে। সময়ের পরিক্রমায় মোহরা ও চান্দগাঁও এখন পূর্ণাঙ্গ শহরে পরিণত। সিডিএর চেয়ারম্যান হিসেবে অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বহুগুণ উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনায় আমার দশ বছরের অভিজ্ঞতা দিয়ে বোয়ালখালী, চান্দগাঁও এবং পাঁচলাইশ এলাকার উন্নয়নে আমি কাজে লাগাতে চাই। এলাকার জনসাধারণ আমার মাঝে সে আস্থা খুঁজে পেয়েছে, তাই তারা আমাকে তাদের সংসদ সদস্য প্রার্থী হতে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি সকলের দোয়া, সমর্থন ও মূল্যবান রায় নিয়ে সংসদে গিয়ে এলাকার প্রাণের দাবি কালুরঘাট সেতুর আধুনিকায়ন ও বহুমুখীকরণসহ পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রাম ও শহরের ব্যবধানকে কমিয়ে আনতে চাই, কর্ণফুলীর দু’পাড়ের শহর ও গ্রামের মানুষকে একই সুতায় গাঁথতে চাই। গণসংযোগ শেষে সিএন্ডবি রাস্তার মাথায় প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়।

