হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার একমাত্র উপায় হচ্ছে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
বুধবার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আইনমন্ত্রী একথা জানান।
যে কেউ রাষ্ট্রপতির কাছে সাজা মওকুফ চেয়ে আবেদন করতে পারেন বলে জানিয়ে তিনি বলেন, তবে এক্ষেত্রে তাকে দোষ স্বীকার করতে হবে।
নির্বাহী আদেশের বিধান অনুযায়ী বিএনপি চেয়ারপারসনের বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানান আনিসুল হক। চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর বিষয়টি পুরোটাই আদালতের বিষয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানো নিয়ে রাজনীতি না করার আহ্বানও জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, গত ৩ অক্টোবর বিএনপির পক্ষ থেকে একটি সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। এই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অনেক মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করেছে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।
তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল বলেছেন, ‘আইনমন্ত্রী একসময় বলেছিলেন যে, দণ্ড স্থগিত করে বাসায় থাকতে দেওয়ার ক্ষমতা সরকারের নেই, এটা পারে শুধু আদালত। অথচ তার কিছুদিন পরেই সরকারের নির্বাহী আদেশে দেশনেত্রী বাসায় এসেছিলেন।’ ফখরুল ইসলাম সাহেবের এই বক্তব্য সর্বৈব মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। কারণ আমি এমন কথা বলিনি। আমার বক্তব্য সবসময় রেকর্ড করা থাকে।

