কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণ ও অতিবৃষ্টিতে শাকপুরাতে কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা নিরসনে কোদালা খালে অবৈধভাবে গড়ে উঠা দখলকৃত স্থাপনা উচ্ছেদ করেছেন উপজেলা প্রশাসন।
গত ১০ আগষ্ট ( বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় উপজেলার শাকপুরা চৌহমুনী এলাকায় উচ্ছেদ অভিযানের ও খালের পুনঃ খননের নেতৃত্ব দেন উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ মামুন। এ সময় এস্কেভেটর দিয়ে এলাকার বাণিজ্যিকভাবে গড়ে উঠা ১২টি স্থাপনা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে বেশকিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন হাজার হাজার বাসিন্দা। বিশেষ করে শাকপুরা ইউনিয়নের ৬, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এসময় উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ মামুন বলেন, খালে অবৈধ স্থাপানা ও ভরাটের কারনে ভারী বর্ষনে শাকপুরা ইউনিয়নের ৬, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। খাল ও কালভার্ট দখল করে অবৈধ স্থাপনা নিমার্ণ করা স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে খালের ভরাট অংশ পুন:খনন করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে শুরু হওয়া অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে এর পুরোপুরি সুফল আসবে আগামী বর্ষায়। এসময় উপস্থিত ছিলেন শাকপুরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান মোনাফ, বোয়ালখালী প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ইউপি সদস্য মোজাম্মেল হক মানিক,মো.ছাদেক,মো.কফিল, সম্ভু চৌধুরী,অনুপ দাশ ও মো.হেলাল।

