চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে পিকআপ ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই সহোদরের মৃত্যু হয়েছে। ৬ জুলাই (বৃহস্পতিবার) বেলা পৌনে ৩টার দিকে সড়কের পাহাড়তলী ইউনিয়নের চট্টগ্রাম তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পশ্চিমে এই মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের হযরত মাওলানা কাজী আব্দুল আজিজ আল নক্সবন্দী (রহ:) বাড়ি প্রকাশ কাজী বাড়ির মৃত মাওলানা কাজী নাদের হোসেনের তৃতীয় ছেলে মাওলানা কাজী মমতাজ (৬৫) ও চতুর্থ ছেলে কাজী আক্কাস(৬০)। এই ঘটনায় মৌলানা জয়নাল আবেদীন (৫০) নামের একজন আহত হয়। নিহতের প্রতিবেশী মাওলানা কাজী মুহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, নিহত দুই সহোদর চট্টগ্রাম তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সংলগ্ন একটি কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের দাওয়াতে অংশ নিতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ক্লাবের অদূরে তাদের বহনকারী অটোরিকশার সাথে একটি পিক-আপের মুখোমুখি সংঘর্ষে কাজী আক্কাস ঘটনাস্থলে প্রাণ হারায়। বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় মাওলানা কাজী মমতাজের মৃত্যু হয়।
তিনি আরো জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) রাত ৯টায় হযরত মাওলানা কাজী আব্দুল আজিজ আল নক্সবন্দী (রহ.) দরগাহ সংলগ্ন ময়দানে জানাজা শেষ সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। অপর ভাই কাজী মমতাজের জানাজা আগামীকাল (শুক্রবার) একই স্থানে দাফন-কাফন হবে। চুয়েট ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই জয়নাল আবেদীন জানান, রাঙ্গুনিয়ামুখী একটি যাত্রীবাহী সিএনজি চালিত অটোরিকশা (চট্টগ্রাম থ ১৪-০৮৫৮) কে হযরত কাতাল পীর শাহ (রহ.) দরগাঁহের বাঁকে শহরমুখী একটি দ্রুতগামী পিক-আপের (বরিশাল ন ১১-০৬০১) মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে পথেরহাটস্থ একটি বেসরকারী হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক কাজী আক্কাসকে মৃত ঘোষণা করেন। সাড়ে পাঁচটার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় অপর সহোদরের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়া কাজী আক্কাসের মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। মাওলানা কাজী মমতাজের মরদেহও একই প্রক্রিয়ার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে।

