বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

রামগড়ে বাটনা শিবির ভূমি রক্ষা কমিটির মানববন্ধন

- Advertisement -
Single page 1st Paragraph

 খাগড়াছড়ির রামগড়ে ২১ জুন বুধবার সকাল ১০ টায় পাহাড়ের অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের মদদে বাঙালীদের ভূমিতে বসতি নির্মাণের প্রতিবাদে বাটনাশিবির ভূমি রক্ষা কমিটির উদ্যোগে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়। এসময় বাটনাশিবির এলাকার ভূমি মালিকগণ এবং গুচ্ছগ্রামবাসীরা তাদের ভূমি উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বক্তব্য দেন। রামগড় বাজার সংলগ্ন ‘হাই প্লাজা’য় এ কর্মসূচির পালন করা হয়।

মানববন্ধনে বাটনাশিবির ভূমি রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জনাব আব্দুল ওয়াদুদ মোল্লা বলেন, ” আমার বাগবাগিচা সজ্জিত ভূমিতে যেতে পারছি না, বহিরাগত উপজাতীয় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা আমাদের ভূমিতে অবৈধভাবে বসতি স্থাপন করছে, প্রশাসনের কাছে ভূমি উদ্ধারের জোর দাবি জানাচ্ছি। এসময় বাটনাশিবির ভূমি রক্ষা কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি জনাব রবিউল হক রবি বলেন, “আমরা ভূমির নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে আসছি, কিন্তু রেকর্ডভুক্ত ভূমিতে দুর্বৃত্তরা বাগবাগিচা করতে দিচ্ছে না, সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ভয়ে ভূমিতে যেতে পারছি না, সরকার ও প্রশাসনের কাছে ভূমি উদ্ধার ও ভূমির নিরাপত্তা চাই। সংগঠনের সভাপতি মো. ইউনুছ বলেন, আমাদের বাপ-দাদার বসত-ভিটা বাটনাশিবির এলাকা হতে সরকার ১৯৮৬ সালে উপজাতীয় সশস্ত্র শান্তিবাহিনীর আক্রমণ হতে রক্ষার্থে তৎকালীন বিডিআর ক্যাম্প সংলগ্ন তৈচালাপাড়ায় গুচ্ছগ্রামে নিয়ে আসে, সরকার ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তখন বলা হয়েছিলো পাহাড়ের পরিস্থিতি শান্ত হলে বসত-ভিটায় পুনর্বাসন করা হবে, কিন্তু দুঃখের সাথে বলতে হয় ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সরকার ও জনসংহতি সমিতির মধ্যে শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পার হয়ে গেলেও বসত-ভিটায় পুনর্বাসন করা হয় নি। আর এই সুযোগে বহিরাগত উপজাতীয় ভূমিদস্যুগণ অব্যাহতভাবে আমাদের ভূমি বে-দখল এবং জোরপূর্বক অবৈধ বসতি স্থাপন করে চলছে।

১৯৮৬ হতে ২০২৩ পর্যন্ত দীর্ঘ ৩৮ বছর গুচ্ছগ্রামে রেশন কার্ডের চাল এবং গম খেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি।১৯৮৬ সালের এক পরিবার,সময়ের পরিক্রমায় আজ কয়েক পরিবারে পরিনত হয়েছে কিন্তু ১৯৮৬ সালের দেওয়া পরিবার প্রতি মাসিক ৮৫ কেজি মিশ্র গম ও চাউলের বরাদ্দ বৃদ্ধি হয় নি। মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে এ সময় সরকারের নিকট ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়। দাবিগুলো হচ্ছে, বাটনাশিবির এলাকার গুচ্ছগ্রামবাসীদের সকল বে-দখলকৃত ভূমি উদ্ধার করতে হবে, বাটনাশিবির এলাকার সকল গুচ্ছগ্রামবাসীকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে, বাটনাশিবির এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, বাদপড়া গুচ্ছগ্রামাবাসীদের তালিকা তৈরি করে রেশন সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে, গুচ্ছগ্রামবাসীদের স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে এবং বাটনাশিবির এলাকার গুচ্ছগ্রামবাসীদের জন্য শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

এই বিভাগের সব খবর

নগরের সৌন্দর্য বিনষ্টকারী স্থাপনা অপসারণ করলেন চসিক প্রশাসক ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম নগরের সৌন্দর্য রক্ষা, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং নাগরিকদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে সড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং বিলবোর্ড, ব্যানার ও পোস্টার অপসারণ...

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ২টি অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী

জেলার আনোয়ারায় কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (কেইপিজেড) ও চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার। বুধবার বেলা...

২০৩০ বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিদর্শনে ফিফার প্রতিনিধি দল

২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপের ভেন্যু নির্বাচনের অংশ হিসেবে আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বরে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোর সম্ভাব্য আয়োজক শহরগুলো পরিদর্শন করবে ফিফা। মঙ্গলবার বিশ্ব ফুটবলের...

সর্বশেষ

নগরের সৌন্দর্য বিনষ্টকারী স্থাপনা অপসারণ করলেন চসিক প্রশাসক ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম নগরের সৌন্দর্য রক্ষা, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং...

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ২টি অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী

জেলার আনোয়ারায় কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (কেইপিজেড) ও চায়না...

২০৩০ বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিদর্শনে ফিফার প্রতিনিধি দল

২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপের ভেন্যু নির্বাচনের অংশ হিসেবে আগামী নভেম্বর...

পার্বত্য চট্টগ্রামের অস্থিরতা নিরসনে রাজনৈতিক ও সামাজিক ঐকমত্য প্রয়োজন: মীর হেলাল

পার্বত্য চট্টগ্রামে চলমান অস্থিরতা ও সংঘাত নিরসনে দলমত নির্বিশেষে...

রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত পণ্য আমদানির পাইপলাইনে রয়েছে : বাণিজ্যমন্ত্রী

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে...

কর্ণফুলী ওপর দেশের প্রথম ক্যাবল-স্টেইড সেতু নির্মাণের উদ্যোগ

খরস্রোতা কর্ণফুলী নদীর ওপর নির্মিত হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম...