তিন দিনের সরকারি সফর শেষে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা থেকে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।১৭ ই জুন দিবাগত রাত ১টা ৫৫ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিয়মিত ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে৷ সফরে খুবই ব্যস্ত সময় পার করেন শেখ হাসিনা। গত ১৪ ই জুন বুধবার প্যালেস ডি নেশনসের বৈঠক কক্ষে সুইস কনফেডারেশনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী।সাক্ষাতে বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ করতে সুইস কনফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট অ্যালেন বারসেটের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
একই দিন সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় প্যালেস ডি নেশনস-এ ‘ওয়ার্ল্ড অব ওয়ার্ক সামিট-২০২৩’ এর পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে যোগ দেন তিনি।সেখানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রফতানিমুখী কারখানাগুলোর কর্মপরিবেশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার। এ ধারাবাহিকতায় আজ বিশ্বের শীর্ষ ১০০টি পরিবেশবান্ধব পোশাক কারখানার অর্ধেকেরও বেশি এখন বাংলাদেশে। এ অর্জনকে এগিয়ে নিতে আমরা একটি ‘গ্রিন ফ্যাক্টরি অ্যাওয়ার্ড পলিসি’ প্রণয়ন করেছি। আশা করি আমাদের আন্তর্জাতিক ক্রেতারা পণ্যের ন্যায্যমূল্য পরিশোধের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব এই উদ্যোগকে উৎসাহিত করবেন।
১৫ ই জুন বৃহস্পতিবার জেনেভায় প্রধানমন্ত্রীর আবাসস্থলের সভাকক্ষে শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মহাপরিচালক (ডিজি) ড. ওকনজো ইওয়েলা। বৈঠকে ডব্লিউটিও’র ডিজি মৎস্যখাতের ভর্তুকি বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে জানান, তারা এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করবে।এ সময় ডব্লিউটিও’র ডিজি আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় জি-২০ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করার এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে কথা বলার সময় এই বিষয় তুলে ধরতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান, যাতে এই বিরোধ নিষ্পত্তি সংস্থা সক্রিয় হয়। ডিজি বলেন, ‘এটি ডব্লিউটিও’র মূল শক্তি।’ এর আগে, একই স্থানে কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিক আল মারি শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। কাতারের মন্ত্রী বলেন, তার দেশে প্রায় তিন লাখ ৭০ হাজার বাংলাদেশি জনশক্তি কাজ করছে। এসব শ্রমিকের কর্মক্ষমতা নিয়ে তারা সন্তুষ্ট। উল্লেখ্য,গত ১৩ই জুন মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যায়।
