নাসিক নির্বাচনে মোট ২৭ জন কাউন্সিলর বিজয়ী হয়েছেন।কামরুল হাসান মুন্না তাঁদের একজন।কিন্তু তাঁর ফিরে আসার মহাত্ম আলাদা।তাঁর বিজয় অন্য সকলের চাইতে ভিন্ন আবেদন বহন করে।ফিরে আসা মানে গত পাঁচ বছর তিনি অবিশ্বাস্য পরাজয়ের শিকার হয়ে কাউন্সিলর পদে
ছিলেন না।মুন্না একজন শ্রমিক বান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিত। গতকাল বিলুপ্ত ঘোষণা করা মহানগর শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন তিনি। ঐ কমিটির একমাত্র তিনিই কেন্দ্রীয় নির্দেশ মেনে ডাঃ সেলিনা হায়াত আইভীর পক্ষে কাজ করেছেন।স্থানীয় ভাবে মুন্নার সঙ্গে মানুষের আবেগী সম্পর্ক বিদ্যমান।কেননা মুন্না চাষাঢ়ার বোমা হামলার ট্র্যাজেডির শিকার নারায়ণগঞ্জের ভবিষ্যৎ নেতা হতে চলা তুমুল জনপ্রিয় যুবনেতা শহিদ সাইদুল হাসান বাপ্পির ছোট ভাই।এবারের ভোটে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন তিনি। তাঁর নিকট মানুষের প্রত্যাশা অনেক। আজ একটি সংবাদ মাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে মুন্নার কথায় সমাজের বাস্তব চিত্রই যেনো দেখা গেলো।মুন্না বলেন, ইভটিজিং, কিশোর গ্যাং,মাদক তিনটি একই সূত্রে গাঁথা। তিনি কথা দিলেন, যাঁরা এসবের সাথে জড়িত তিনি তাঁদের সমাজের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনতে করণীয় সবকিছু করবেন।আরও অনেক কথাই বলেছেন তিনি।কিন্তু নৈতিকতার অবক্ষয় রোধে আন্তরিক প্রচেষ্টার কথাই বেশি আশা জাগানিয়া মনে হলো।মুন্নার প্রতি আমাদের শুভকামনা থাকলো। তিনি যেনো মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হন।

