আজকের জাতীয় দৈনিক জুড়ে আইভীর বিজয়ের পাশাপাশি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে দীর্ঘদিন পরে বাংলাদেশ দেখতে পেলো একটি উৎসব মূখর অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন।বর্তমান কমিশনের গত পাঁচ বছরের মেয়াদকালে বিতর্কিত নানান কর্মকান্ডে দেশের মানুষ বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়েছিলো নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি।কিন্তু গতকাল নাসিক নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলবার সুযোগ না দিয়ে মানুষের মন আবার এটা বিশ্বাস করতে শুরু করেছে যে, কমিশন ও প্রশাসন আন্তরিক হলে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন সম্ভব।
যদিও বিরোধিতার স্বার্থে বিরোধিতা করে ইভিএম কারচুপির অভিযোগ করেছেন তৈমুর আলম খন্দকার।কিন্তু তা ধোপে টিকেনি নগরবাসীর কাছে।
কেননা নাসিকে আইভীর বিজয় অনুমিতই ছিল।বরং ব্যবধান আরও বেশি আশা করেছিলেন সবাই।তা সম্ভব হয়নি ভোট আরও বেশি কাষ্ট না হওয়ায়
।প্রাপ্তীর আরেক দিক হলো, দেশজুড়ে ইউপি নির্বাচনে সহিংসতার খবর দেখতে দেখতে ক্লান্ত দেশবাসী স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন,এই পর্যন্ত কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর না পেয়ে ।সবচেয়ে বড় আশার কথা হলো, সহসাই নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগে, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনে শুদ্ধি অভিযান শুরু হতে চলেছে। প্রায় অর্ধশত বছর ধরে বিভাজনের রাজনীতি নিয়ে শিরোনাম হওয়া জেলা ও মহানগর কমিটিগুলো ঢেলে সাজানো হবে আর সেখানে অগ্রাধিকার পাবে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতৃবৃন্দ। তাই চমকিত হতে তৈরী থাকুন।নাম প্রকাশ না করার শর্তে কেন্দ্রীয় কমিটির এক নেতা সাপ্তাহিক শ্লোগানকে একথা বলেন।
নাসিক নির্বাচনী প্রচারে ভীষণ সিরিয়াস ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের মুফতি মাসুম বিল্লাহ ও খেলাফত মজলিসের এবিএম সিরাজুল মামুন।গতকাল প্রাপ্ত পূর্নাঙ্গ ফলাফলে দেখা যায়, হাতপাখা প্রতীকের মুফতি মাসুম বিল্লাহ পেয়েছেন ২৩৯৮৭ ভোট, দেয়াল ঘড়ি প্রতীকে এবিএম সিরাজুল মামুন পেয়েছেন ১০৭২৪ ভোট, বাংলাদেশ কল্যান পার্টির রাসেদ হাতঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ১৯২৭ ভোট, বটগাছ প্রতীকের জসিমউদদীন আহমেদ পেয়েছেন ১৩০৯ ভোট আর ঘোড়া প্রতীকে আদুরে বাবু পেয়েছেন ১৩০৫ ভোট।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আগামী দশ বছরে দেশের অন্যতম প্রধান দল হতে চলেছে ইসলামী আন্দোলন। বিশেষ করে নারায়ণগন্জে বিগত ইউপি
ও সদ্য সমাপ্ত নাসিক নির্বাচনে তাঁরা সেই ইঙ্গিতই দিয়েছে।

