শনিবার(১৫ জানুয়ারি) সকাল এগারোটায় ১৯২টি কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে আইনশৃংখলা রক্ষাবাহিনির সদস্যরা। বেলা বারোটা থেকে শুরু করে ইতিমধ্যে সকল কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে নির্বাচনী সরঞ্জাম।
ভোট কেন্দ্র সহ প্রতিটি পাড়া-মহল্লা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য করণীয় সবকিছু করেছে কমিশন।
নয়টি সংস্থার মোট ৪২ জনকে নির্বাচন পর্যবেক্ষনের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে। জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহফুজা আক্তার।অনুমতি পাওয়া সংস্থাগুলো হচ্ছে, জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষন পরিষদ(জানিপপ),সার্ক মানবাধিক ফাউন্ডেশন, আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক), সমাজ উন্নয়ন প্রয়াস, তৃনমূল উন্নয়ন সংগঠন, তালতলা যুব উন্নয়ন সংগঠন, রিহাফ ফাউন্ডেশন, বিবি আছিয়া ফাউন্ডেশন এবং মানবাধিকার ও সমাজ উন্নয়ন সংগঠন।
১৯২টি কেন্দ্রকে তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে পরিকল্পনা সাজিয়েছেন কমিশন। অতি গুরুত্বপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ ক্যাটাগরি।৩০টি কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিন্হিত করা হয়েছে।
আজ সকাল এগারোটায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহফুজা আক্তার।
পুলিশ সুপার জানান,প্রতিটি কেন্দ্রে ৫/৬ জন পুলিশের নেতৃত্বে ১৫/১৭জন আনসার থাকবে।সব মিলিয়ে প্রতি কেন্দ্রে ২২/২৫জন আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য থাকবেন।প্রতি ওয়ার্ডে তিনটি করে আর্মড পুলিশের মোবাইল টিম, একটি করে ষ্ট্রাইকিং রিজার্ভ ফোর্স ও RAB এর মোবাইল টিম থাকবে।সেই সাথে প্রতি ওয়ার্ডে এক প্লাটুন বিজিবি রাখতে চেষ্টা
করবো।তিনি আরও জানান,আমাদের চাহিদার প্রেক্ষিতে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আরও ২৭জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট দিয়েছেন।সেই সাথে ১৪জন জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ভোটের দিন কাজ করবেন।
নাসিক এর মোট ভোটার সংখ্যা ৫লাখ ১৭হাজার ৩৫৭জন।এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২লাখ৫৯হাজার৮৩৪ জন,নারী ভোটার ২ লাখ ৫৭ হাজার ৫১৯ জন।
তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার আছেন ৪ জন।
২৭ টি ওয়ার্ডে ১৯২ টি কেন্দ্রের মোট ১৩৩৩টি বুথে ইভিএম পদ্ধতিতে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল সকাল আটটা থেকে।
সাতজন মেয়র প্রার্থী,১৪৮জন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও ৩৪ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদপ্রার্থীর মধ্যে একজন মেয়র,২৭ জন কাউন্সিলর ও ৯ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর বেছে নেবেন ভোটারগণ আগামী পাঁচ বছরের জন্য।

