নাসিক নির্বাচনে আজই শেষ হচ্ছে প্রচারনা।আজ রাত বারোটার পর থেকে নিষিদ্ধ হয়ে যাচ্ছে প্রচার।আর শেষ দিনটিতে সর্বশক্তি দিয়ে শোডাউনে মেতে উঠেছিল প্রার্থীরা।১৩৪জন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী, ৩৪জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও সাতজন মেয়র প্রার্থীর বেশির ভাগই মিছিল করে নিজেদের সম্ভাবনার জানান দিতে সচেষ্ট ছিলেন। তাই একের পর এক চমকে ভরা ছিলো আজকের নারায়ণগঞ্জ সিটি।
মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে আজকের প্রথম চমকটি দেন ইসলামী আন্দোলনের মুফতি মাসুম বিল্লাহ। বাদ জুমা আনুমানিক বিশ হাজার নেতাকর্মীদের নিয়ে মিছিল করে সবাইকে যেনো এই বার্তাই দিলেন,তিনিও সম্ভাবনায় আছেন বেশ ভালো ভাবেই।
এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী এডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার নিজের এলাকা মাসদাইর মসজিদে জুমা আদায় করে স্থানীয় মানুষের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করে ভোট প্রার্থনা করেন।
বিকেলে বন্দরে শেষ শোডাউন করে এক পথসভায় বক্তব্য রাখেন।তৈমুর বলেন, শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও তিনি নির্বাচনে থাকবেন। তবে শেষদিনেও আইভী চমক অব্যাহত ছিলো।শহরের ২ নং গেইটে দলীয় কার্যালয়ের সামনে মহানগর আওয়ামীলীগের উদ্যোগে পথসভার আয়োজন করা হয় আজ বিকেলে। পথসভা একসময় জনসমুদ্রে রুপ নেয়।
আইভী বলেন,আপনারা চেয়েছিলেন বলেই টানা আঠারো বছর আপনাদের সেবা করতে পেরেছি।আপনারা চাইলেই আবার আপনাদের সেবা করতে পারবো।
মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, বাহাউদ্দীন নাসিম, এস এম কামাল, সুজিত নন্দী সহ জেলা ও মহানগর কমিটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
পথসভা শেষে একটি বিশাল মিছিল বের হলে মিছিলটি শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ায় সেটা আর প্রদক্ষিন করতে পারেনি।রাজপথে নেচে-গেয়ে নেতাকর্মী সমর্থকরা পুরো শহর মাতিয়ে তোলেন।
কাউন্সিলর পদপ্রার্থীরাও ব্যাপক শোডাউন করেছেন আজ।তবে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন ১৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী, মহানগর শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক, কামরুল হাসান মুন্না। তাঁর মিছিলে কমপক্ষে ত্রিশ হাজার নারী পুরুষের বাহারী ঢংয়ে উপস্থিতি চমকে দিয়েছে সবাইকে।

