সীতাকুণ্ড উপজেলায় ঘন্টায় ঘন্টায় বিদ্যুতের লোডশেডিং করা হচ্ছে। অসহ্য গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। এরই মধ্যে দিন-রাতে প্রায় অর্ধেক সময় ধরে থাকছে না বিদ্যুৎ। গ্রহকরা বলছেন, একদিকে প্রচন্ড তাপদহ, অন্যদিকে বিদ্যুতের অসহনীয় লোডশেডিংয়ে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। গত ৩ থেকে ৪ দিন ধরে শুরু হয়েছে তীব্র লোড শেডিং। এতে করে ভ্যাবসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। ব্যাহত হচ্ছে সেবামূলক কর্মকাণ্ড এবং ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিল্প-কলকারখানার উৎপাদন।
স্কুল শিক্ষক খোরশিদা আক্তার বলেন, ‘গত ৩ থেকে ৪ দিন ধরে লোড শেডিং খুব বেশি হচ্ছে। বিদ্যুৎ এসে এক ঘণ্টা থেকে আবার চলে যাচ্ছে। এতে করে রান্না থেকে ঘর-গৃহস্থালীর কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। দিনে ও রাতে ৭-৯ বার করে বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। ভ্যাবসা গরমে পরিবারের সবাইকে নিয়ে অস্থির হয়ে যাচ্ছি।
সংবাদকর্মী কৃষ্ণ দাশ বলেন, হাতপাখায় বাতাস করতে করতে হাত ব্যাথা হয়ে গেছে। কতক্ষণ এভাবে চলা যায়।শিক্ষক জসিম উদ্দিন বলেন, ‘দিনে-রাতে সমানতালে লোডশেডিং হচ্ছে। বিদ্যুৎ চলে গেলে রাতে গরমে ঘুমাতে পারছি না। ৩ থেকে ৪ দিন হলো এমন হচ্ছে। রাতে ছোট বাচ্চাদের পাখার বাতাস দিয়ে ঘুম পারাতে হচ্ছে।
‘ফৌজদার হাট বিদুৎ বিতরণ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী লোড শেডিং এর বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, যখনই ফিকোয়েন্সিং কমে যায় এবং চাহিদা বেড়ে যায় লোডশেডিং এর মাত্রা বেড়ে যায়। উপজেলায় চাহিদা রয়েছে ২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। কিন্তু এখন চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ পাচ্ছি। অনেক সময় অর্ধেকের কিছু বেশি পাওয়া যাচ্ছে। এ জন্য ঘন ঘন লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।’
