গতকাল(১২ জানুয়ারি) সকালে শহরে বিশাল শোডাউন করেছেন,সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ভোটে শেষ পর্যন্ত থাকবেন বলে নিশ্চিত করে পরিবেশ শান্ত রাখতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, তারপরেও ভোটের মাঠে এডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার এর শেষ পর্যন্ত থাকা না থাকা নিয়ে নগরবাসীর মাঝে কৌতুহল থেকেই যাচ্ছে।মূলতঃ হঠাৎ করেই কয়েকজন বিএনপি নেতাকে পুলিশ আগের মামলায় গ্রেফতার করলে এই অজুহাতে ভোট বর্জন করতে পারেন তৈমুর এমন আশংকা প্রকাশ করেন নগরবাসীর সাথে সাথে রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণও।সর্বশেষ গতরাতে নিজ বাসভবন মাসদাইর থেকে গ্রেফতার হয়েছেন আসন্ন বার
নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী এইচ এম আনোয়ার প্রধান।যিনি জেলা মৎস্যজীবী দলের আহবায়ক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক পদেও আসীন।ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক শামীম আহমেদ তাঁর আটকের খবর নিশ্চিত করে বলেন আগের দুটি মামলায় পলাতক থাকা
আনোয়ার প্রধানকে তাঁরা গ্রেপ্তার করেছেন।
এদিকে নাসিক নির্বাচনের প্রচার সময় সীমা ফুরিয়ে আসছে।আইন অনুযায়ী শুক্রবার(১৪ জানুয়ারি) প্রচারের শেষ দিন।আজ সকাল থেকেই মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদপ্রার্থীগণ বেড়িয়ে পড়েছেন প্রচারে।আওয়ামী লীগ মনোনীত ডা. সেলিনা হায়াত আইভী আজ সকাল সাড়ে নয়টায়
নিজ বাসভবন থেকে শুরু করেন প্রচার।এতোদিন নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়িয়েছেন, আজই প্রথম নিজের এলাকায় গণসংযোগ
করছেন তিনি। ইসলামি আন্দোলনের মুফতি মাসুম বিল্লাহ আছেন নগরীর ১৭ও১৮নং ওয়ার্ডে।
সিদ্ধিরগন্জে আছেন খেলাফত মজলিসের এবিএম সিরাজুল মামুন ও খেলাফত আন্দোলনের মোঃ জসিমউদদীন আহমেদ।প্রত্যেক প্রার্থীর সাথেই কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আছেন সঙ্গী হিসেবে।

