পুরো ওডিআই সিরিজে নিউজিল্যান্ডকে আজকের মতো প্রত্যয়ী মনে হয়নি।আজ ওদের বডি ল্যাংগুয়েজ বলছিল যাই হোক না কেনো “ক্লীন সুইপ” হবেনা ওঁরা।টস জিতে ব্যাট করতে নেমে পাক বোলারদের বেশ ভালোই খেলছিলো কিউই ব্যাটাররা।৩৬ ওভার শেষে কিউইদের সংগ্রহ ছিলো ২১৪/৩।উইকেটে ওপেনার উইলি ইয়ং ও টম ল্যাথাম।তখন তিনশো চল্লিশকে সম্ভাব্য টোটাল বলছিলেন টিভি ভাষ্যকারগন।৩৭ তম ওভারে উইকেট রক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানের বহুদিন চোখে লেগে থাকার মতো অবিশ্বাস্য এক ক্যাচে ইয়ং ফিরে গেলে রানের লাগাম টেনে ধরে পাক বোলাররা।
শেষ চৌদ্দ ওভার পুরোটাও খেলতে পারেনি কিউইদের বাকি সাত ব্যাটার।তিন বল আগে অলআউট হয় তাঁরা ২৯৯ রানে।শাহিন শাহ আফ্রিদি স্লগে খুব ভালো বোলিং করেন।৪৬ রানে ৩ উইকেট পান তিনি। আগের ম্যাচে ফখর জামানকে বিশ্রাম দিলেও ক্লীন সুইপের জন্য সেরা একাদশ নামায় পাকিস্তান।কিন্তু শুরুতেই বলেছি,আজ কিউইরা ছিলো প্রত্যয়ী
।৩০০ রানের লক্ষ্যে নেমে ৬৪ রানেই ফিরে যান পাক টপ অর্ডারের চারজন।এরপর ইফতেখার আহমেদ ও আগা খাঁন ৯৯ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখালেও হেনরী শিপলী ও রবীন্দ্র আক্রমণে আসতেই খেই হারিয়ে ফেলে পাকিস্তান।আগা খাঁনকে আউট করে জুটি ভাঙেন রবীন্দ্র। তারপর শিপলী ভীষণ কৃপন বোলিং করলে ২৫২ রানে অলআউট হয়ে ৪৭ রানের পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পাকিস্তান।শিপলী দশ ওভারে মাত্র ৩৪ রানে তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হন।ফখর জামান হন সিরিজ সেরা। সংক্ষিপ্ত স্কোর :-নিউজিল্যান্ড ২৯৯/১০(৪৯.৩),উইলি ইয়ং ৮৭,ল্যাথাম ৫৯,আফ্রিদী ৩/৪৬। পাকিস্তান ২৫২/১০,ইফতেখার আহমেদ ৯৪,আগা খাঁন ৫৭,শিপলী ৩/৩৪,রবীন্দ্র ৩/৬৫। ফল:- নিউজিল্যান্ড ৪৭ রানে জয়ী। ম্যান অফ দ্য ম্যাচ:- শিপলী। ম্যান অফ দ্য সিরিজ:- ফখর জামান।

