সকল বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে শেখ হাসিনা দেশে না ফিরলে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতো না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরেছিলেন বলেই বাংলাদেশে আজ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৭ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ খ্রিস্টান যুব কল্যাণ সমিতির আয়োজনে ‘বাঙলার স্থপতি’ বইয়ের লেখক অ্যালভিন দিলীপ বাগচীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন,পাকিস্তান রাষ্ট্র হওয়ার এক বছর পরেই বঙ্গবন্ধু বুঝতে পেরেছিলেন পাকিস্তানে কাছে বাঙালি মুক্তি ও স্বাধীন নয়। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ স্বাধীন করার পরিকল্পনা করেছিলেন পাকিস্তান সৃষ্টি হওয়ার পরপরই। বঙ্গবন্ধু ছয় দফা ঘোষণা করেছিলেন বাঙালির মনন তৈরি করার জন্য মুক্তির জন্য।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু ভাষণে বলেছিলেন এবারের সংগ্রাম মুক্তি সংগ্রাম। বঙ্গবন্ধু এই ভাষণ ছিল মুক্তি ও সংগ্রামের। ভাষণে শেষে জনতা রাস্তায় স্লোগান দিয়েছিল বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো, তোমার আমার ঠিকানা পদ্মা মেঘনা যমুনা। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ছিল স্বাধীনতার মূল পরিকল্পনা। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু ধীরে ধীরে স্বাধীনতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু চূড়ান্তভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন।
তিনি বলেন, আজ ৭ মে একটি তাৎপর্যদিন। এই দিন শেখ হাসিনা কারামুক্তি হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন। শেখ হাসিনার নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছিল এবং দেশে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধু যেমন সাহসী ছিলেন তার কন্যা শেখ হাসিনাও সাহসী। বঙ্গবন্ধুর মত শেখ হাসিনার সবচেয়ে বড় গুণ শত প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি ধৈর্য হারান না। শেখ হাসিনাকে দেশে আসতে নিষেধ করা হলেও তিনি বলেছিলেন আমাকে দেশে যেতে হবে মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে লড়তে হবে।
আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে দেশে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছিল কিন্তু সকল বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে দেশে ফিরেছিলেন তিনি। সেদিন তিনি দেশে ফিরে না আসলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতো না। তিনি দেশে ফিরেছিলেন বলেই বাংলাদেশ আজ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের যত অর্জন এই আওয়ামী লীগ তা করেছে। আর আওয়ামী লীগের যত অর্জন, তারচেয়ে বেশি শেখ হাসিনার অর্জন।
ইলারিশ আর. গমেজের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. ছাদেকুল আরেফিন মতিন, সাবেক সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ প্রতিনিধি শহীদুল্লাহ খন্দকার প্রমুখ।

