ভেন্যু বদল হয়েছে,টস ভাগ্যও বদলেছে,হাসেনি ফখর জামানের ব্যাট,কিন্তু শেষ পর্যন্ত জয়ী দলের নামটি পাকিস্তানই থেকে গেছে।ফলশ্রুতিতে টানা তৃতীয় জয়ের মাধ্যমে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে ফেলেছে তাঁরা।পাঁচ ম্যাচ সিরিজের বাকি দুই ম্যাচ হারলেও সিরিজ পাকিস্তানেরই থাকছে।করাচিতে আজ প্রথমবারের মতো টসে জিতে কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথাম পাকিস্তানকে ব্যাট করতে পাঠান।দলীয় ৩৭ রানে ব্যক্তিগত ১৯ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান আগের দুই ম্যাচে অতিমানবিয় ব্যাটিং করে দলকে জেতানো ফখর জামান।কিন্তু দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ১০৮ রানের পার্টনারশীপ গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যান ইমাম উল হক ও বাবর আজম। দারুণ খেলতে থাকা বাবর আজম ব্যক্তিগত ৫৪ রানে ফিরে গেলে ভাঙে সেই জুটি।
পরবর্তীতে সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েও নার্ভাস নাইনটিতে কাটা পড়েন ইমাম উল হকও।১০৭ বলে ৯০ রান করেন এই ওপেনার।পরের দিকে দুটো
ত্রিশোর্ধ ইনিংসের কল্যানে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৮৭ রান করে পাকিস্তান। কিউইদের হয়ে ম্যাট হেনরী ৫৪ রানে তিন উইকেট শিকার করেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দুই কিউই ওপেনার ৮৩ রানের জুটি গড়ে ভালো ভিত্তি এনে দিলেও পরবর্তীতে ড্যারিল মিচেল,মার্ক চ্যাপম্যানরা বড়ো ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হলে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে নিউজিল্যান্ড।মিডল অর্ডারে অভিষিক্ত ম্যাককন্চি দূর্দান্ত ব্যাটিং করলেও অপর প্রান্তে কেউ টিকতে না পারায় ২৬১ রানেই থেমে গিয়ে ২৬ রানের পরাজয় মেনে নিতে হয় কিউইদের। ৪৩ বলে ৬৪ রানে অপরাজিত থেকে যান ম্যাককন্চি।দলের হয়ে ওপেনার টম ব্লান্ডেল ৬৫ ও টম ল্যাথাম ৪৫ রান করলেও জয়ের জন্য তা যথেষ্ট ছিলোনা।পাক বোলারদের সবাই কমবেশি অবদান রাখেন দলের জয়ে। সংক্ষিপ্ত স্কোর:-পাকিস্তান ২৮৭/৬(৫০),ইমাম উল হক ৯০, বাবর আজম ৫৪,ম্যাট হেনরী ৩/৫৪। নিউজিল্যান্ড ২৬১/১০(৪৯.১) টম ব্লান্ডেল ৬৫,ম্যাককন্চি ৬৪*,নাসিম শাহ ২/৪২,শাহিন শাহ ২/৫৩। ফল:-পাকিস্তান ২৬ রানে জয়ী। ম্যান অফ দ্য ম্যাচ:-ইমাম উল হক।
